
ওপেন সোর্স ও ফ্রি অপারেটিং সিস্টেমের জগতে জনপ্রিয় নাম উবুন্টু। সম্প্রতি ক্যানোনিক্যাল উবুন্টুর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে একটি কাউন্টডাউন ঘড়ি ঝুলিয়েছে। আর মাথা খাটিয়ে এতটুকুই আন্দাজ করা যাচ্ছে যে, আগামীকাল ২রা জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে টাচস্ক্রিনের জন্য সাপোর্ট ঘোষণা করা হবে। অবশ্য এ ব্যাপারে নিশ্চিত না হলেও একটি বিষয়ে নিশ্চিত যে, আকর্ষণীয় কিছু জানাতে যাচ্ছে উবুন্টু।
এর আগে ক্যানোনিক্যাল উবুন্টু অপারেটিং সিস্টেমকে অ্যান্ড্রয়েডের জন্য উপযোগী করে তোলার প্রকল্প, উবুন্টু ফর অ্যান্ড্রয়েড চালু করে। আইডিয়া হচ্ছে, আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনেই যদি ডুয়েল কোর প্রসেসর আর ১ গিগাবাইট র্যাম থাকে, তাহলে কেন খামোকা আলাদা ল্যাপটপ বহন করবেন? আপনার অ্যান্ড্রয়েডকেই আপনি আপনার ল্যাপটপের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। কম্প্যাটিবল অ্যান্ড্রয়েড ফোনে উবুন্টু ইন্সটল করে নিলেই হবে। কেবল মনিটর, মাউস আর কিবোর্ড লাগিয়ে নিলেই আপনার মনিটরে হাজির হবে উবুন্টুর ডেস্কটপ সংস্করণ।
ক্যানোনিক্যালের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক শাটলওয়ার্থ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পরিষ্কারই জানিয়েছেন, উবুন্টু ১৪.০৪ সংস্করণ থেকেই সম্পূর্ণরূপে মোবাইল ডিভাইস ও ট্যাবলেট ডিভাইস সাপোর্ট করবে উবুন্টু। কেবল তাই নয়, ইতোমধ্যেই অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেটের বাজারে আদর্শ ট্যাবলেট হিসেবে খ্যাত নেক্সাস ৭-এ সফলভাবে পোর্ট করা হয়েছে উবুন্টু।
ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে প্রতিনিয়তই এগিয়ে চলছে উবুন্টুর যাত্রা। কেননা, নানা সুযোগ-সুবিধা যোগ করার মধ্য দিয়ে ক্রমেই ব্যবহারকারীর জনপ্রিয়তা অর্জন করে নিচ্ছে বিনামূল্যে ডাউনলোডেবল এই অপারেটিং সিস্টেম। স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট বাজারও দখল করতে পারলে আপনা-আপনিই বেড়ে যাবে এর বাজার দখল। আগামীকাল ক্যানোনিক্যালের ঘোষণা থেকেই জানা যাবে কীভাবে কী করার পরিকল্পনা করছে উবুন্টু। অ্যান্ড্রয়েড কথনে আমরা বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করবো যেহেতু আপনার অ্যান্ড্রয়েডেই এই উবুন্টু চালানো সম্ভব হতে যাচ্ছে। আর তাছাড়াও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম নিজেও তো চলছে লিনাক্সের উপরই!
উবুন্টুপ্রেমীদের এবার অপেক্ষা আগামীকালের।

ধুর!
সব হাতের নাগাল থেকে ফসকে যায়। এক গিগাবাইট র্্যাম!! ইম্পসিবল। :/
আমার ভাগ্যে নাই।
৫১২ মেগাবাইট র্যামেও সম্ভবত চলবে। আমার ঠিক মনে আসছে না।
ubuntu আসলে আশা করা যায় প্রক্সি কিছু সফটওয়্যার দিয়ে উইন্ডোজের ছোটখাটো .exe ফাইল ও চালানো যাবে, ubuntu পিসিতে যেমন চালানো যায়।
প্রক্সি দিয়ে .exe ফাইল চালানোর বিষয়টি বুঝলাম না।
লিনাক্সের জন্য কিছু সফটওয়্যারে আছে যেগুলো উইন্ডোজের .exe ফাইল লিনাক্সে চালাতে পারে।
Wine Compatibility Layer দিয়ে exe ফাইল রান করা যায়। কিন্তু এর সঙ্গে প্রক্সির সম্পর্ক কী?
নামটা ভুলে গিয়েছিলাম। তাই Compatibility বুঝানোর জন্য প্রক্সি সফটওয়্যার শব্দটি ব্যবহার করেছিলাম।
ওহ আচ্ছা।
আমার মনে হয় এতে অ্যান্ড্রয়েডের ভিত কিচুটা নড়ে উঠবে