
গ্রামীণফোন নতুন সিমফোনি ক্রেতাদের টানা ৬ মাস ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা দিচ্ছে। এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে গ্রামীণফোনের সাইট ঘাঁটতে গিয়ে চোখে পড়ে তাদের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনের কথা। অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন তারা কবে রিলিজ দিয়েছে ঠিক জানি না, হয়তো পেপারে বিজ্ঞাপনও দিয়েছে। কিন্তু পেপার রাখা হয়না তাই চোখ এড়িয়ে গেছে।
যাই হোক, অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করলাম। ব্যবহার শেষে মনে হলো, গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীদের অ্যান্ড্রয়েডে এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন থাকা উচিৎ। এতে গ্রামীণফোনের বেশিরভাগ সেবারই সরাসরি অ্যাক্টিভেট-ডিঅ্যাক্টিভেট ইত্যাদি করার সুবিধা রয়েছে। তাই অ্যান্ড্রয়েড কথনের অ্যাপ্লিকেশন রিভিউ বিভাগে আমাদের আজকের অ্যাপ্লিকেশন, গ্রামীণফোন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন যার অফিসিয়াল নাম, জিপি অ্যাপ।
জিপি অ্যাপ

সহজ ইন্টারফেস থেকে আপনার প্রয়োজনীয় সেবাটি খুঁজে পেতে কোনো কষ্টই হবে না।
জিপি অ্যাপ প্রায় আড়াই মেগাবাইট আকারের ছোট একটি অ্যাপ্লিকেশন। মূলত গ্রামীণফোন গ্রাহকদের জন্যই এই অ্যাপ্লিকেশনটি তৈরি। এর মাধ্যমে আপনি গ্রামীণফোনের বিভিন্ন সুবিধা ও সেবা পেতে পারবেন। প্রায়ই আমরা কোনো সেবা চালু বা বন্ধ করতে চাই কিন্তু কী লিখে কত নম্বরে পাঠাতে হবে তা মনে রাখতে পারি না। সেসব মূহুর্তের জন্যই গ্রামীণফোনের এই অ্যাপ্লিকেশন বেশ কাজে দেবে। আর আপনি যদি গ্রামীণফোন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হোন, তাহলে তো জিপি অ্যাপ আপনার থাকতেই হবে! কেননা, এটি দিয়ে আপনি বারবার টাইপ করার বদলে মাত্র কয়েক ট্যাপেই জেনে নিতে পারবেন আপনার ইন্টারনেট প্যাকেজের মেয়াদ ও বাকি থাকা ভলিউমের পরিমাণ।

জিপি অ্যাপ-এ যেসব সুবিধা রয়েছে, সেগুলো হলোঃ
- বর্তমান এফএনএফ নম্বর দেখা, বদলানো বা যোগ করা।
- প্রিপেইড প্যাকেজ মাইগ্রেশন বা এক প্যাকেজ থেকে অন্য প্যাকেজে যাওয়া।
- মোবাইলের ব্যালেন্স বা কত টাকা আছে তা চেক করা।
- ইন্টারনেট সেবা চালু করা।
- ইন্টারনেট হ্যান্ডসেট কনফিগারেশনের জন্য রিকোয়েস্ট করা।
- ইন্টারনেট ভলিউম ও মেয়াদ দেখা।
- ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা।
- মিসড কল অ্যালার্টের মতো বিভিন্ন ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস চালু বা বন্ধ করা।
- মোবাইলের ব্যালেন্স ট্রান্সফার করা।
- ওয়ালপেপার, গেমস, ভিডিও, মিউজিক ইত্যাদি ডাউনলোড করা।

এখানে আগে থেকেই বলে রাখা ভালো যে, বিভিন্ন কন্টেন্ট (ভিডিও, মিউজিক ইত্যাদি) ডাউনলোড করার জন্য বাড়তি চার্জ প্রযোজ্য। আর অ্যাপ্লিকেশনটি ব্রাউজ করার সময় আপনার ফোনে কোনো না কোনো প্যাকেজে ইন্টারনেট চালু থাকতে হবে। যদিও এসবের প্রায় সবই কোনো ইন্টারনেট ছাড়াই *111#-থেকে ব্রাউজ করা যায়, তবুও এই অ্যাপ্লিকেশনটির মাধ্যমে টাইপের কাজ বাদ দিয়ে কেবল ক্লিক বা ট্যাপ করেই আপনার কাজ সারতে পারবেন। আর যখন ক্লিক আর ট্যাপ করেই কাজ সারা যায়, তখন অযথা টাইপ করার দরকার কী?

অ্যাপ্লিকেশনটি দিয়ে দেখে নিতে পারবেন আপনার স্ট্যাটাস “স্টার” কি না!
গ্রামীণফোন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনটি গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি-তেই পাওয়া যাচ্ছে গুগল প্লে স্টোরে। একই ধরনের অ্যাপ্লিকেশন অন্যান্য সাধারণ (ফিচার ফোন) মোবাইলের জন্যও গেটজার থেকে ডাউনলোড করা যাবে। অথবা ব্ল্যাকবেরি ব্যবহারকারীদের জন্যও রয়েছে এই অ্যাপ্লিকেশন। তবে অ্যান্ড্রয়েডের জন্য আপনি নিচের লিংক থেকে গুগল প্লে-তে গিয়ে অথবা আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে নিচের কিউআর কোডটি স্ক্যান করে সরাসরি ডাউনলোড করে নিতে পারেন জিপি অ্যাপ।
গুগল প্লে স্টোর লিংকঃ জিপি অ্যাপ
গ্রামীণফোনের এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনটি ইতোমধ্যেই ব্যবহার করেছেন? না করে থাকলে এখনই ডাউনলোড করে ব্যবহার করুন আর আমাদের জানান আপনার প্রতিক্রিয়া। ডাউনলোড করার আগে অবশ্যই যে কোনো ইন্টারনেট প্যাকেজে সাবস্ক্রাইব করে নেবেন। নইলে ২ মেগাবাইট ডাউনলোড করতে কিন্তু অনেক টাকা খরচ হয়ে যাবে!

আসলেই জোস….কিন্তু দুঃখের কথা জিপি সিম চালাই না ।
আমার কাছে ইন্টারনেটের জন্য জিপিই এখন পর্যন্ত সেরা মনে হয় (অন্তত মোবাইলের ক্ষেত্রে, যদিও কম্পিউটারে আমি জুম ইউজার)।
সাজিব ভাই আমার সনি এক্সপেরিয়া রে build no. .62 আমি রুট করতে পারছিনা।
আমার জানামতে .৬২ ও .৬৮ রুট করা যায় না।
আমিও জিপি (হারামী ফোন) চালাই না। কিন্তু এর জন্য কোন দুঃখ নাই। আর আমি টেলিটকের একজন গর্বিত গ্রাহক।
বহু আগে ডালো করেছিলাম, ভালো লাগেনি। আনইনস্টল করেছি নামানোর পরেরদিন।
গত মার্চে আপডেট করা হয়েছে দেখলাম। নতুনটা ব্যবহার করে দেখতে পারেন। কাজের।
ami mtamto onek dib jabot e use kori….
chorom kaj er soft ta….
আমার মনে হয় যেহেতু অ্যান্ড্রয়েড কথন দেশের সর্ব প্রথম বাংলায় শুধুই অ্যান্ড্রয়েড বিষয়ক সাইট তাই প্রতিটি সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে গুগল প্লে এর ডাউনলোড লিঙ্ক এর পাশাপাশি একটি ডিরেক্ট লিংকও দেয়া উচিত যাতে করে আমরা সরাসরি কম্পিউটারের মাধ্যমে অ্যাপস ফুলো ব্যাবহার করতে পারি ।
ডিরেক্ট ডাউনলোড লিংক দেয়া হয় না দু’টো কারণে। এক, ডিরেক্ট এপিকে ফাইলগুলো পুরনো হয়ে থাকে। দেখা যাবে ঐ অ্যাপ্লিকেশনের নতুন সংস্করণে অনেক বাগ ফিক্স ও উন্নত ফিচার দেয়া হয়েছে, কিন্তু পুরনো সংস্করণ থাকায় আপনি সেগুলো পাবেন না। দুই, ডিরেক্ট অ্যাপ্লিকেশন বা গেমস ইন্সটল করলে আপনি সেই অ্যাপ্লিকেশনের পরবর্তী আপডেটগুলোও মিস করবেন।
যেহেতু এটি দেশের প্রথম বাংলা অ্যান্ড্রয়েড বিষয়ক সাইট, আমরা চাই হাই স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখতে। এ জন্য যেসব অ্যাপ্লিকেশন ফ্রি-তেই ডাউনলোড করা যাচ্ছে, সেগুলো অন্য কোথাও আপলোড করে লিংক দিই না। তবে জরুরি ও কাজের পেইড অ্যাপ্লিকেশনগুলোর কিন্তু এপিকে ফাইল দেয়া হয়, যেহেতু বাংলাদেশ থেকে যে কেউ চাইলেই অ্যাপ্লিকেশন কিনতে পারেন না। আশা করছি বিষয়টা বুঝতে পারছেন।
আর শিগগিরই আমরা কীভাবে কম্পিউটারের ইন্টারনেট অ্যান্ড্রয়েডে শেয়ার করতে হয় সে নিয়ে পোস্ট দিবো। তখন মোবাইলেই সরাসরি ডাউনলোড করতে আর কোনো সমস্যা থাকবে না (যদিও পদ্ধতিটি সব সেটে কাজ নাও করতে পারে)।
আপনার কথা ঠিক আছে । কিন্তু বাংলাদেশে যদি আমরা গড় করে দেখি তবে কতজন মানুষ একটি সফটওয়্যারের আপডেট খোজ করে থাকে ? এটারও বিভিন্ন দিক থাকে । প্রথমত আমাদের দেশে ইন্টারনেটের অফারগুলো কোনটাই সুবিধার নয় । দ্বিতীয়ত, আপডেট ভার্সনগুলোতে যেমন অনেক বাগ ফিক্স করা হয় তেমনি মাঝে মঝে কিছু কিছু নতুন ত্রুটি থাকে । যাই হোক, আমি যেহেতু আপনার সাইটের একজন নিয়মিত ভিসিটর তাই আমি মনে করিনা যে যদি আপনি ডিরেক্ট লিংক প্রোভাইড করেন তাহলে আপনার সাইট কোনভাবেই ক্ষতিগ্রস্থ হবেনা (আমার মতে !) ।
আমার জানা মতে দুটি পদ্ধতিতে পিসি থেকে নেট অ্যান্ড্রয়েডে শেয়ার করা যায় ।
১। ওয়াইফাই হটস্পট দিয়ে কানেক্টিফাই মি টাইপের সফট দিয়ে
২। রুট করা ডিভাইসে ইউএসবি ডিবাগিঙ্গের মাধ্যমে
এদুটি পদ্ধতি কিন্তু সব অ্যান্ড্রয়েড সেটেই কাজ করে । কেননা ওয়াইফাই আর ডিবাগিং মোড – সব স্মার্টফোনেই থাকে ! (Tested on Samsung, Motorola, SE and the cheapest phone Symphony w5) – আমার ডেস্কটপে রাউটার নেই । কেনার মত টাকাও আপাতত নেই । এজন্যেই ডাইরেক্ট লিঙ্কের জন্য এত লাফালাফি 😀
যাই হোক, w5 রুট করা যায় কীভাবে – এ সম্পর্কে পোষ্ট আশা করছি ।
নতুন ত্রুটি থাকে সেটার জন্য আপডেট করার আগে রিভিউ দেখে নিতে হয়। আর নিরাপত্তার জন্যও অ্যাপ্লিকেশনের লেটেস্ট সংস্করণ রাখা উচিৎ যেমনটা কম্পিউটারের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। এগুলো গুড প্র্যাকটিস আর আমরা এটাই সমর্থন করি। তবুও দেখি কোনো উপায় পাওয়া যায় কি না।
কানেক্টিফাই কিছুটা স্পিড কমিয়ে দেয় বলি জানি। ইউএসবি ক্যাবল দিয়েই নেট শেয়ারিং-এর কিছু পদ্ধতি আছে। এগুলো নিয়ে ঘাঁটতে হবে। আর ডব্লিউ ৫-এর রুট করার পদ্ধতি এখনও কেউ জানাননি।
সহমত
I used to use it when I used to use GP P2 (intenet) but sadly GP now gives only 5GB only 🙁
Now I use Robi to use Unlimited internet.
রবি আসলেই আনলিমিটেড ইন্টারনেট দেয়? রবিরও তো ফেয়ার ইউসেজ পলিসি আছে জানতাম। :/
আমি কানেক্টিফাই ব্যবহার করি, মাঝে মধ্যে হ্যাং হয়ে যায় কানেক্টিফাই প্রোগ্রাম। তাছাড়া সমস্যা নাই। ভালোই কাজ করে