
অফিস স্যূট বা প্রোডাক্টিভিটি স্যুট হিসেবে জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসকে পেছনে ফেলতে পারেনি কেউই। মাইক্রোসফটের ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট, ওয়ান নোট ইত্যাদি সফটওয়্যার বেশিরভাগ ব্যবহারকারীরই প্রথম পছন্দ। আর এই প্রথম পছন্দের অ্যাপ্লিকেশনগুলোই অ্যান্ড্রয়েডে আসতে যাচ্ছে ২০১৩ সালের মার্চ মাসে।
মাইক্রোসফটের প্রোডাক্ট ম্যানেজার মাইক্রোসফট অফিস ২০১৩ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জানিয়েছেন, মার্চেই মোবাইলের জন্য উন্মুক্ত হবে অফিস ২০১৩। অন্যদিকে ডেস্কটপ ব্যবহারকারীরা ফেব্রুয়ারি ২০১৩-তে অফিস ২০১৩-এর পূর্ণ সংস্করণ বা ফুল অ্যান্ড ফাইনাল সংস্করণটি কিনতে পারবেন বলেও মাইক্রোসফট জানিয়েছে।
ডকুমেন্ট ফাইল দেখা ও ডকুমেন্টে লেখালেখি করার জন্য অ্যান্ড্রয়েডে এই মূহুর্তে সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন হচ্ছে অফিস স্যুট প্রো। তবে যেসব ব্যবহারকারী মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা এক্সেল ব্যবহার করে অভ্যস্ত, তারা অ্যান্ড্রয়েড ফোন বা ট্যাবলেটেও অফিস পাওয়ার পর অন্য কোনো অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে চাইবেন না সেটাই স্বাভাবিক। তবে ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করার জন্য মাইক্রোসফটকে অবশ্যই ব্যবহার-বান্ধব একটি ইউজার ইন্টারফেস তৈরি করতে হবে। দেখা যাক মাইক্রোসফট অফিস ২০১৩ তুলনামূলক ছোট আকারের ডিভাইসের জন্য কীভাবে অপটিমাইজ করা হয়।
অ্যান্ড্রয়েডে মাইক্রোসফট অফিস আসলে তা ব্যবহার করার ইচ্ছা আছে কার কার?

Good news.
হুউম, অফিস এখনো ডাউনলোড করিনি এবং এখনো দেখা হয়নি এটা কেমন। কিন্তু অফিস ওয়েব প্রিভিউ আমার কাছে বেশ দারুন লেগেছে 😀 আর এখন আবার এন্ড্রয়েড!
আমি অফিস ২০০৭-এর পর আর আপডেট করিনি। ২০১০-এর ইন্টারফেস ভালো লেগেছে কিন্তু খুব রিসোর্স টানে। এতো ভারী অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের প্রয়োজন মনে করিনি তাই আনইন্সটল করে আবার অফিস ২০০৭ ইন্সটল করেছি। তবে অ্যান্ড্রয়েডে যেহেতু ২০১৩ দিয়েই শুরু হবে, দেখা যাক কেমন হয় এর ইন্টারফেস আর কতটুকু র্যাম টানে এটা।
দরকার নাই, দেখা যাবো কোন ম্যালওয়্যার দিয়ে রাখবে 😛
BTW: আমি যতদুর জানতাম গুগল মার্কেটে কোন এপস আসতে হলে তা ওপেন সোর্স হতে হয়, যদিও এই ব্যপারে পুরাই অজ্ঞ।
আমি তো এমন কিছু শুনিনি যে ওপেন সোর্স হতে হয়! তাহলে অনেক কোম্পানিই গুগল প্লেতে অ্যাপ্লিকেশন ছাড়তো না। তবে মাইক্রোসফট অফিসে ম্যালওয়্যারের ব্যাপারটা চিন্তার বিষয়। :-S
এতদিন অপেক্ষায় ছিলাম! !!