![]()
মাত্র সকালেই আমরা জানিয়েছিলাম যে, অ্যাপলের সঙ্গে বছরব্যাপী চলতে থাকা আইনি লড়াইয়ে শোচনীয়ভাবে স্যামসাং-এর হেরে যাওয়ার পর হঠাৎ করেই বিক্রি বেড়ে যায় তাদের ফ্ল্যাগশিপ ফোন গ্যালাক্সি এস থ্রি’র। গবেষণা প্রতিষ্ঠান জরিপ শেষে জানায়, গ্যালাক্সি এস থ্রি বিক্রি বন্ধে আদালতের নির্দেশ আসতে পারে এই আশঙ্কায় এস থ্রি’র ভক্তরা আগেভাগেই সেট কিনতে শুরু করে দিয়েছেন। তবে ভক্তদের আশঙ্কাকে আরও একধাপ বাড়িয়ে দিয়ে অ্যাপল সম্প্রতি গ্যালাক্সি এস থ্রি-সহ আরও তিনটি ডিভাইসের বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আবেদন করেছে আদালতে।
গত ফেব্রুয়ারিতে অ্যাপল দাবি করে যে, স্যামসাং-এর ১৭টি ডিভাইসে অ্যাপলের আইফোন ও আইপ্যাডের পেটেন্ট করা ডিজাইন ও প্রযুক্তি অবৈধভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। এই দাবির পাশাপাশি ডিভাইসগুলোতে ব্যান করারও আবেদন করে অ্যাপল। সম্প্রতি সেই ১৭টি ডিভাইসের সঙ্গে নতুন করে যোগ হয়েছে গ্যালাক্সি এস থ্রি-সহ আরও তিনটি পণ্য।
উল্লেখ্য, স্যামসাং ও অ্যাপলের মধ্যবর্তী এই আইনী লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত স্যামসাংকে পেটেন্ট ভঙ্গে দোষী সাব্যস্ত করেছে এবং ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১.০৫ বিলিয়ন ডলার দিতে নির্দেশ দিয়েছে। আদালত এও রায় দিয়েছে যে, অ্যাপল স্যামসাং-এর কোনো পেটেন্ট ভঙ্গ করেনি। তবে জাপানের টোকিও ও কোরিয়ার আদালতে স্যামসাং ও অ্যাপল উভয়কেই একে অপরের পেটেন্ট ভঙ্গে অভিযোগে জরিমানা করেছে দেশগুলোর আদালত।
গ্যালাক্সি এস থ্রি বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত কী রায় দেয় সেটাই এখন দেখার বিষয়। এ নিয়ে স্যামসাং-এর কোনো মুখপাত্র এখনও কোনো মন্তব্য করেননি বলেই আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো জানিয়েছে।

একটা কেস জিতে তেল বেড়ে গেছে অ্যাপলের। পতন ঘটবেই!
দেখা যাক। মনে হয় না গ্যালাক্সি এস থ্রি ব্যান করবে আদালত। খেয়াল করলে দেখবে, অ্যাপলকে ধোয়া তুলসী পাতা আমেরিকার আদালত ছাড়া অন্য কোনো দেশের আদালতই মনে করছে না। কোরিয়ায় স্যামসাং-এর পাশাপাশি অ্যাপলকেও জরিমানা করা হয়েছে। একই ঘটনা টোকিওতেও। অ্যাপলের পক্ষে রায় দেয়ার জন্য কোনো টাকা চালাচালি হয়েছে কি না সেটাও সন্দেহের ব্যাপার। :-/
apple er sathe tokkor dite gele ai obstae hobe…….
Apple খালি খুজে কিভাবে Public কাছে থেকে টাকা খাবে ওদের প্রত্যেকটা পণ্য দাম আকাশ ছোঁয়া। এদের থেকে মানুষ একদিন মুখ ফিরিয়ে নিবে।
100% right
মুখ ফিরিয়ে হয়তো নেবে না, কারণ অ্যাপলের ভক্তের আর ইউজারের অভাব নেই। তাছাড়া একটা কথা মানতেই হয় অ্যাপল অরিজিনাল ডিজাইন নিয়ে প্রোডাক্ট প্রস্তুত করে। তবে ইদানীং একটু বেশি বেশি করছে বলেই মনে হচ্ছে। অবশ্য আমার মন্তব্য হলো স্যামসাং তাদের লেটেস্ট কিছু ডিভাইস এতোটা আইফোনের মতো না করলেও পারতো। আর গ্যালাক্সি এস থ্রি নিয়ে বলতে গেলে বলতে হয় এর সঙ্গে আইফোনের কোনো মিলই নেই। তাই এখানে অ্যাপলের সঙ্গে একমত হতে পারছি না।
শেষ সংবাদ কি?
আমি যতদূর জানি, শেষ খবর এখনও সব ঝুলে আছে।