
চাইনিজ স্মার্টফোন তথা অ্যান্ড্রয়েড ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান Xiaomi-এর নাম শুনে থাকবেন অনেকেই। বেশ কিছু হাই-এন্ড অ্যান্ড্রয়েড ফোন বাজারে এনে অ্যান্ড্রয়েডপ্রেমীদের তো বটেই, বড় বড় প্রকাশনার রিভিউয়ারদেরও নজর কেড়েছে এই কোম্পানিটি। কিন্তু তাই বলে কেউ গুগল ছেড়ে এই কোম্পানিতে যোগ দিতে যাবে, এমনটা বোধহয় কেউই ভাবেনি।
সম্প্রতি জানা গেছে, অ্যান্ড্রয়েড প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্ট-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট হুগো বেরা গুগল ছেড়ে এই চাইনিজ কোম্পানিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন। ২০০৮ সালে এই পদে যোগদান করা এই কর্মকর্তা সম্প্রতি তার পদত্যাগ পত্রও জমা দিয়েছেন বলে গুগল নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও তিনি তার গুগল প্লাস পেজেও এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
এই ভাইস প্রেসিডেন্ট কেবল ক্যামেরার আড়ালেই কাজ করতেন না। বরং অ্যান্ড্রয়েডের বিভিন্ন সুবিধার সঙ্গে পরিচিত করে দিতে ও নতুন বৈশিষ্ট্যের ঘোষণা দিতে তিনি সবার পরিচিত মুখ হয়ে উঠছিলেন। বিশেষ করে এ বছরের আলোচিত আই/ও কনফারেন্সে যোগদানের পরই তাকে আরও অনেক মানুষ চেনেন।

এখন থেকে গুগল আই/ও নয়, এমনই চাইনিজ প্রেস কনফারেন্সে দেখা যাবে হুগোকে। ছবিটি Xiaomi-এর জনপ্রিয় ডিভাইস MI-2-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানের।
কিন্তু হঠাৎই গুগল ছেড়ে চাইনিজ একটি কোম্পানিতে যাওয়ার কোনো বোধগম্য কারণ এখনও জানা যায়নি।
চাইনিজ এই কোম্পানি সারাবিশ্বে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের বিক্রি বাড়িয়ে নিজেদের অবস্থান আরও বড় করতে চায় এ ব্যাপার খুবই স্পষ্ট। তারা কেবল ২ বছর ধরে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস বিক্রি করছে যদিও ইতোমধ্যেই চীনে তাদের ডিভাইসের বিক্রি অ্যাপলের ডিভাইসের বিক্রিকেও ছাড়িয়ে গেছে। কিন্তু তারা তাদের ডিভাইসে যেই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছে, সেটাই যে খোদ গুগলের তৈরি! এছাড়াও গুগলের মতো বিশাল কোনো কোম্পানি ছেড়ে চাইনিজ কোম্পানিতে যোগ দেয়া কতটুকু বুদ্ধিমানের কাজ তা নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলছেন।
তবে কারণ যাই হোক, গুগলের কর্মকর্তাকে ছিনিয়ে নিয়ে বিশ্বব্যাপী নিজেদের বিনামূল্যের প্রচারটা ঠিকই করে নিলো Xiaomi.
গুগল ছেড়ে চাইনিজ এই কোম্পানিতে যোগদান করা নিয়ে আপনার কি অভিমত?


অ্যান্ড্রয়েডের জন্মস্থান গুগলে, আর গুগল কে ছাড়া কখনোই বুদ্ধিমানের কাজ নয় ।।
Ariyan অ্যান্ড্রয়েডের জন্মস্থান গুগল বললে ভুল হবে। গুগল অ্যান্ড্রয়েডকে কিনে নিয়েছে। তবে শুরু থেকেই গুগলের ফাইন্যান্সিয়াল ব্যাকআপ ছিল অ্যান্ড্রয়েড প্রজেক্টে। তারচেয়ে বড় কথা হলো, এখন অ্যান্ড্রয়েড গুগলের। তারপরও কত বেশি টাকার অফার পেয়ে গুগল ছেড়ে কেউ চাইনিজ কোম্পানিতে যাবে….!
উনি গুগল ছেড়েছেন !! কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড ছাড়েন নি 😀
আমার মনে হয় এজন্য Xiaomi তাকে আকাশ চুম্বী পারিশ্রমিক অফার করেছে।
Xiaomi Global 😀
লোকটা ভালই করেছে। Xiaomi’র রম ব্যবহার করেছি। মাখনের মত স্মুথ। ফোনগুলোও বেশ কম দামে ছাড়ে ওরা।
disqus comment সিস্টেম তুলে দেয়া হল কেন?? 🙁
লেখাটার মধ্যে মধ্যবিত্ত মানসিকতার পরিচয় স্পষ্ট। “গুগলের মত বিশাল একটা কোম্পানি ছেড়ে” “চাইনিজ কোম্পানিতে যোগদান করাটা”… বিশাল কোম্পানিতে কাজ করতে পারলে বাঙালি বর্তে যায়, তার একটা ইন্ডিকেশন এই লেখাটা। প্রফেশনালি সফল মানুষ কখনো কোম্পানী বড় ছোট দেখেনা, দেখে কোথায় গেলে কাজ করার সুযোগ বেশী, চ্যালেঞ্জ বেশী। হুগো নিশ্চয় কোম্পানী ফোরকাস্ট দেখে বুঝতে পেরেছেন কার নতুন চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যত কতটা প্রমিজিং। একটা টেক রিলেটেড লেখায় কোন প্রফেশনাল কি করল তার পিছনে নিজের ব্যক্তিগত মতামত জুড়ে দিলে সেটা এখানে ছাপানোর দরকার কি? বাংলানিউজ অথবা মতিকন্ঠে দিলেই হয়!
Nahid Anwar Khan ফেসবুক থেকে মন্তব্য ফেচ করার জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ডিসকাস বন্ধ রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ভালোই যাচ্ছে সবকিছু। লেটেস্ট পোস্টগুলো ঘাঁটলে দেখবেন মন্তব্য সংখ্যা অনেক বেশি। 😉
yiasin অবভিয়াসলি অনলাইন মিডিয়া নিয়ে আপনার ধারণার অভাব আছে। নইলে অনলাইনে প্রকাশিত কোনো লেখাকে “ছাপানো” বলতেন না।
মানুষ বাংলানিউজ বা মতিকণ্ঠ ছেড়ে এখানে পড়তে আসে কারণ আমরা গতানুগতিক “রোবটিক” স্টাইলে কেবল কী হয়েছে সেটা লিখে যাই না। আপনার আরও অবগতির জন্য জানানো প্রয়োজন মনে করছি, অ্যান্ড্রয়েড কথন কোনো পত্রিকা না। এটি একটি স্মার্টফোন বিষয়ক ব্লগ। ব্লগের বিশেষত্বই হচ্ছে এতে ব্যক্তিগত মতামত তুলে ধরা হয়। যদি না জেনে থাকেন, তাহলে জানানোর প্রয়োজন মনে করছি যে, নিউ ইয়র্ক টাইমস, টাইম, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ইত্যাদির মতো বড় বড় প্রকাশনার সংবাদ বিভাগের পাশাপাশি ব্লগ রয়েছে আলাদা যেখানে লেখকরা সমসাময়িক বিষয়াবলির উপর নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
রোবটিক ভাষায় নিউজ লিখে গেলে অ্যান্ড্রয়েড কথনে ইউজার ইন্টার্যাকশন থাকতোই না। আর এ জন্যই বিগত বছরগুলোয় ব্লগ এতো জনপ্রিয়তা পেয়েছে। হ্যাঁ, লেখকের সঙ্গে পাঠকের দ্বিমত থাকতেই পারে, আর সেটা প্রকাশ করার জন্যই ব্লগে মন্তব্যের ঘর থাকে। কিন্তু এখানে উচ্চ-বিত্ত আর মধ্যবিত্ত খোঁজ করতে আসা মানুষের সংখ্যা নিতান্তই হাতেগোণা।
আর আপনি যদি বাঙালি না হয়ে থাকেন, তাহলে অ্যান্ড্রয়েড কথন পড়ার দরকার কী? বিদেশি সাইটগুলোই পড়ুন। একটা লেখা পড়ে বাঙালিকে বিচার করার মন-মানসিকতা কোন-বিত্তের সেটা নিয়েও আমার সন্দেহ আছে।
ভালো থাকুন।
A.I.Sajibyiasin
“মধ্যবিত্ত” এবং “মধ্যবিত্ত মানসিকতা” এই দুটার মধ্যে যে তফাত আছে সেটা জেনে কমেন্ট করলে খুশি হতাম। যাহোক, যদি এটা ব্লগ হয়ে থাকে, তাহলে আপনার কথা ঠিক আছে, যদিও আপনাদের ওয়েবসাইটে লেখা “আমাদের টিম আপনাদের কাছে পৌঁছাবে অ্যান্ড্রয়েডের সর্বশেষ খবর, টিপস এবং টিউটোরিয়াল নিয়ে”, এবং লেখাগুলো পড়ে ব্লগের চেয়ে সংবাদ বলেই মনে হয়।
yiasin A.I.Sajibমধ্যবিত্ত মানসিকতাই বুঝিয়েছি। শব্দটা লেখা হয়নি কেবল। যাই হোক, ব্লগ যে সংবাদ পরিবেশন করতে পারে না এ কথা কে বললো? বরং বাংলাদেশে ফেসবুক উত্থানের অনেক আগে থেকে ব্লগেই ব্রেকিং নিউজ প্রকাশিত হতো। এটা অনেকটা টুইটারের মতো, কেবল বাংলাদেশে টুইটারের চেয়ে কমিউনিটি ব্লগ (যেমন সামহোয়্যার ইন) জনপ্রিয় বেশি ছিল, যেটা এখন ফেসবুকে পরিনত হয়েছে।
আসল কথা হলো, আমরা অবশ্যই সংবাদ লিখবো, টিউটোরিয়াল টিপস লিখবো, কিন্তু এর সঙ্গে আমাদের লেখকদের নিজস্ব চিন্তাভাবনাও থাকবে। এতে করে গতানুগতিক সংবাদের চেয়ে আলোচনার একটা ক্ষেত্র তৈরি হবে। আশা করি বিষয়টা বুঝতে পারছেন।
ধন্যবাদ।