
দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়াল্টন একাধারে পাঁচটি প্রিমো সিরিজের ডিভাইস আনার পরও বসে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ব্র্যান্ডটির নতুন ডিভাইস Walton Primo N1, C1 এবং D1 সম্পর্কে ইতোমধ্যেই অনেকে বিভিন্ন তথ্য শুনেছেন। প্রতিষ্ঠানটি তাদের ফেসবুক পেজেও নতুন এসব ডিভাইস সম্পর্কে তথ্য জানিয়েছে। চলুন ডিভাইসগুলো সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাক ও এগুলোর ছবি দেখে নেয়া যাক।
(আরও পড়ুনঃ কীভাবে মেলাবেন নতুন অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সিপিইউ, জিপিইউ ও র্যাম)
Walton Primo N1

ওয়াল্টন প্রিমো এন ১-কে বলা যেতে পারে এই ব্র্যান্ডের প্রথম ফ্যাবলেট ডিভাইস কেননা এর স্ক্রিনের আকার ৫ ইঞ্চিরও বেশি (৫.৩ ইঞ্চি)। এটি 960 X 540 পিক্সেল রেজুলেশন সমৃদ্ধ আইপিএস প্রযুক্তির ডিসপ্লে বলে জানিয়েছে ওয়াল্টন। অ্যান্ড্রয়েড ৪.১.২ জেলি বিন চালিত এই ডিভাইসে রয়েছে ১.২ গিগাহার্জ করটেক্স এ৭ কোয়াড-কোর প্রসেসর ও পাওয়ারভিআর এসজিএক্স ৫৪৪ গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট। ৩জি সুবিধা সম্বলিত এই ডিভাইসে দু’টি সিম সুবিধা দেয়া হয়েছে।
১ গিগাবাইট র্যাম ও ৪ গিগাবাইট ইন্টারনাল মেমোরির ওয়াল্টন প্রিমো এন ১-এ সর্বোচ্চ ৩২ গিগাবাইট ধারণক্ষমতার মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও এর পেছনে রয়েছে ১০৮০পি ফুল এইচডি ভিডিও রেকর্ডিং-এর সুবিধা সম্পন্ন ৮ মেগাপিক্সেল অটোফোকাস ক্যামেরা ও সামনে রয়েছে ১ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা।
অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে রেকর্ডিং সুবিধাসহ এফএম রেডিও, কম্পাস, অ্যাক্সেলেরোমিটার, লাইট সেন্সর, প্রক্সিমিটি, জিপিএস ও ব্লুটুথ ৪.০। এর ব্যাটারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে ৩০০০ এমএএইচ। মাইক্রো-ইউএসবি ২.০ পোর্টের উল্লেখ থাকলেও এইচডিএমআই পোর্ট সম্পর্কে কোনো তথ্য উল্লেখ নেই যার ফলে ব্যবহারকারীরা হয়তো এইচডিএমআই সুবিধা পাবেন না।
ওয়াল্টন প্রিমো এন ১-এর দাম সম্পর্কে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। আগামী ২২শে মার্চ থেকে ঢাকার বসুন্ধরা সিটিতে ডিভাইসটি ডিসপ্লেতে থাকবে বলে ওয়াল্টনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। এছাড়াও ফোনটি এপ্রিলের শেষের দিকে বাজারে আসার কথা রয়েছে।
Walton Primo D1

৩জি ভিডিও কলিং সুবিধা-সম্পন্ন ওয়াল্টন প্রিমো ডি ১ হচ্ছে ৩.৫ ইঞ্চি স্ক্রিনের অ্যান্ড্রয়েড ২.৩.৬ জিঞ্জারব্রেড-চালিত স্মার্টফোন। এর স্ক্রিন রেজুলেশন 320×480 পিক্সেল। এতে ব্যবহৃত হয়েছে ১ গিগাহার্জ করটেক্স এ৯ (MTK 6575M) প্রসেসর, ২৫৬ মেগাবাইট র্যাম ও মাত্র ৫১২ মেগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজ।
প্রিমো ডি১-এ রয়েছে ২ মেগাপিক্সেল ব্যাক ক্যামেরা ও ০.৩ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে ব্লুটুথ ৩.০, এফএম রেডিও, জিপিএস, প্রক্সিমিটি সেন্সর, ওরিয়েন্টেশন সেন্সর, অ্যাক্সেলেরোমিটার সেন্সর ও কম্পাস। এছাড়াও এর ব্যাটারির ক্ষমতা ১৫০০ এমএএইচ।
এই ফোনেরও দাম জানানো না হলেও ধারণা করা হচ্ছে তুলনামূলক কম দামেই এটি বাজারে ছাড়া হবে। মার্চের শেষের দিকে বসুন্ধরা সিটির ওয়াল্টন শোরুমে ডিভাইসটি ডিসপ্লেতে আসবে বলে ওয়াল্টনের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে।
Walton Primo C1

ওয়াল্টন প্রিমো সি১ হচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড ২.৩ জিঞ্জারব্রেড চালিত লো-এন্ড স্মার্টফোন যাতে রয়েছে 320*480 পিক্সেল রেজুলেশনের ৩.৫ ইঞ্চি স্ক্রিন। কেবল ২জি নেটওয়ার্কের এই ফোনে দেয়া হয়েছে ১ গিগাহার্জ প্রসেসর, ২৫৬ মেগাবাইট র্যাম ও ৫১২ মেগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজ।
কেবল ২ মেগাপিক্সেল ব্যাক ক্যামেরা ও এফএম সুবিধার পাশাপাশি এতে রয়েছে ব্লুটুথ ২.১, অ্যাক্সেলেরোমিটার সেন্সর ও সাউন্ড সেন্সর। এর ব্যাটারির ক্ষমতা ১৩৫০ এমএএইচ।
ওয়াল্টন প্রিমো ডি১-এর চেয়েও কম সুবিধাসম্পন্ন ওয়াল্টন প্রিমো সি১ ওয়াল্টনের আপকামিং ফোনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কমদামী হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। যদিও ডিভাইসটির দাম ও কবে নাগাদ বাজারে আসবে সে সংক্রান্ত কোনো তথ্য প্রকাশিত হয়নি, ডিভাইসটি ইতোমধ্যেই বসুন্ধরা সিটিতে ডিসপ্লেতে রয়েছে বলে জানা গেছে।
ওয়াল্টনের নতুন এই ৩টি ফোন থেকে আপনার বাজেটে কোনটি কিনতে পারবেন বলে আপনার ধারণা? (যেহেতু দাম প্রকাশ হয়নি, তাই স্পেসিফিকেশনের বিচারে অনুমানের উপরই আমাদের জানান।)

Very nice post , Bt vhi Symphony W125 er taw diyen _____ 🙂
চেষ্টা করবো। 🙂
দাম কত হতে পারে? যদিও এখনো দাম জানায় নি।
ইসস N1 টার যদি স্ক্রীনটা যদি ৫ইঞ্চি হতো ভালো হতো বেশি বড় করে ফেলেছে .. 🙁
তবে D1, C1 আনার কোন মানেই হয় না ওয়ালটনের .. যেখানে N1 এর মত সেট আনতেছে তাহলে এইগুলোর আনার ই বা কি দরকার ? তার থেকে UMI X2, A 116 Hd মত সেট আনতে পারতো আর ভালো দামে বিক্রি করতে পারতো .. আমার মনে হয় ওদের টেকনিক্যাল আর মাকেটিং এ্যানলাইসিস ডিপাটমেন্ট সম্বনয় নাই .. টেকনিক্যালগুলো পাবলিক কি চায় বোঝে না আর না হয় জানে না .. যাই হোক, দেশীয় পণ্য (চায়না ব্রান্ডিং) ধন্যবাদ ওয়ালটনকে এমন সেট আনার জন্যে .. আশা করি এদের মাথায় কিছূ আসবে আমাদের জন্যে .. ধন্যবাদ সজীব ভাই আপনার পোষ্ট এর জন্যে .. 🙂
ভাই সবার কিন্তু ফোন কেনার জন্য ১০-১৫ হাজার টাকা বাজেট নেই। উমি বা ক্যানভাস ২ জাতীয় ফোন আনলে দাম মিনিমাম ১৫-২০ হাজার টাকা পড়বে। ওয়াল্টনের সর্বশেষ ৪টা সেটই ১০-১৫ হাজার বাজেটে। অনেক মানুষই আছেন যারা এখনও ৫-৭ হাজার টাকায় অ্যান্ড্রয়েড ফোন কেনার স্বপ্ন দেখেন। তাই আমার মতে ওয়াল্টনের লো-এন্ড দু’টো ফোন প্রযুক্তি-মনষ্কদের মধ্যে সাড়া না ফেললেও সাধারণ মানুষের মধ্যে জনপ্রিয়তা পাবে।
তা ঠিক ভাইয়া সেটার জন্যে সাধূবাদ আমাদের দেশীয় কোম্পানিরেদেরকে .. কারণ তারা সাধারণ মানুষদের মন জয় করতে পেরেছে ..
কিন্তু ১/২টা একটা দামী (জানি কম চলবে) তাও কিছু প্রযুক্তি প্রিয় আমাদের মত যারা একটু আপগ্রেড চচ্ছে কিন্তু দেশেই তাদের জন্যে ভাবলে ভালো হতো .. 🙂
ভাই আমাদের দেশে কয়টা মানুষের ১০ হাজার টাকার বেশি খরচ করে মোবাইল কেনার আসলেই যোগ্যতা আছে লোক দেখানর জন্য কিনলে আলাদা কথা, যেমনটা আই ফোনের ক্ষেত্রে হয়। সে হিসাবে ওয়াল্টন যদি ৫ হাজার টাকায় ৩জি কল কারার সুবিধা হয় মোবাইল আনে তাহলে আমদের উচিৎ তাদের সাধুবাদ জানানো।
আপনি যে কথাটা বললেন তা একদম ঠিক, আমাদের দেশের বড় বড় কম্পানিগুলার মার্কেটিং টিম বুঝে না আমরা সাধারন জনগন কী চাই, তারা যেটা বুঝে তাই করে।
ধন্যবাদ ভাই .. আমি আমাদের দেশীয় কোম্পানিগুলোকে সবসময় সাধূবাদ জানাই কারণ তাদের কারণেই আজ আমরা কিছূ ভালো মানের সেট পাচ্ছি তবে ১/২টা একটু ভালো প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেট আনা উচিত হয়তো কম চলবে কিন্ত তাতে যারা স্যামসাং বা এ্ক্সপেরিয়া দিকে ঝুকতেঁছে তাদের ধরতে যেমন ধরেন – UMI X2 সস্তায় এমন জিনিস দিচ্ছে যে, স্যামসাং বা এ্ক্সপেরিয়া বা অনেক ভালো ব্রান্ডের ঘুম হারাম হয়ে গেছে .. 🙂 আর UMI এমনভাবে ভারতে ঢুকতেছে তারা Government of India Comparative test for Smartphones (Consumer Affairs Ministry in India) চুক্তি করেছে (৩মাসের সেট রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি আর এক বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি) সুতরাং এখন আশা করা যায় আর UMI নিয়ে কারো ভয় ও নাই সবাই সাহস করবে সেট কিনতে আর তার মানে তারা বাজে মানের সেট আনতেছে না .. জানেন তো ভারতে কনজুমার আইন খুব কড়া .. এমন কিছু সেট চাই আমরাও আমাদের দেশের কোম্পানির কাছে সেটা না হয় রি-ব্র্যান্ডিং হোক .. হয়তো একটু দাম হবে জানি কিন্তু আমি আশা করি কিছু পাগল আছে (আমার মত) এমন সেট পেলে স্যামসাং বা অন্য মডেলে যাবে না :).. আর এমন আইনও হওয়া উচিত আমাদের দেশেও .. 🙂
সেটা ভারতের কথা। তাদের দেশে স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারী আর আমাদের দেশে স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারীর পার্থক্য অনেক।
আজকে N1 টা দেখলাম। খালি ডিস্প্লে রেজুলেশন কম। বাকি সব ঠিকই আছে মনে হইল।
ভাই ভারতের হোক কিন্তু এমন আইন আর এমন সব রিভিউ করালে কি হয় বাংলাদেশের বলেন ? ওদের দেশে আর আমাদের দেশের পার্থক্য নেই যেটা হচ্ছে ভারতের বাজার বড় সবাই আগে ঔখানে কম দামে দেবার চেষ্টা করে তাই ওরা একটু আগিয়ে আর ভারতের মানুষ দেশের জন্যে ভাবে তাই তারা এতদূর গেছে ,.. আমরা চেষ্টা করলে আমরাও যেতে পারবো ..
হুমম ছবি দেখলাম N1 এর .. খারাপ লাগেনি দেখতে দেখি আগামী সপ্তাহের দিকে যাবো দেখতে একটু ভিড় কমুক .. 🙂
আমার মনে হয় SYMPHONY W5 এর মত কিছু মোবাইল বের করে সর্বসাধারণের হাতে স্মার্টফোন পৌঁছে দিতে চাচ্ছে।
হয়তো কিন্তু আমাদের দেশের সেট কোম্পানিগুলো এখন গুছানো না আর তাদের টিম আলোচনা বা এক ডিপার্টমেন্ট এর সাথে অন্য ডিপার্টমেন্ট কানেকশন শক্ত না .. তারা মার্কেট ঠিকমত যাচাই করে না বাংলাদেশেল উঠতি বা যারা সেট পাগল তারা কি চাই কত টাকার মধ্যে চাই সেটা গবেষণা করে এদের আলোচনা করা উচিত .. ভারতে মার্কেট জরিপ হয় আর তার পর এটা নিয়ে কোম্পানির সবাই বসে ঠিক করে .. সবার সাথে সাবর কানেকশন ভালো তাই ভারতে সেট আসলে দেখবেন চলেও বেশি আর প্রচুর রিভিউ হয় আমাদের দেশে “এনড্রয়েড কথন” শুরু হয়েছে কিন্তু তাদেরকেও সমস্যায় পড়তে হয় যতদূর জানি তারাও কোম্পানির কাছ থেকে সাহায্য পাই না .. কিন্তু ভারতে সেট আসার আগে এইসব রিভিউ গ্রুপ দিয়ে সেট রিভিউ করিয়ে নেয় .. দেখাযাক আমাদের দেশে হয়তো এমন অবস্থা আসবে জলদি .. 🙂
আমরা শুধু আমাদের পছন্দের কথা চিন্তা করি কিন্তু তাদের সকল শ্রেনীর গ্রাহকদের কথা চিন্তা করতে হয়। সে হিসেবে আমি বলব C1 বা D1 স্মার্টফোনগুলোর অবশ্যই দরকার আছে। সেটা প্রমান করে Symphony W20 এর জনপ্রিয়তা। আমার ধারণা আপনি বেশ ভালই জানেন কি পরিমাণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে সিম্ফনি W20.।
ওয়ালটন যদি স্বয়ংসম্পূর্ন স্মার্টফোন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান হতে চায় তবে তাদের উচিত সকল শ্রেনীর গ্রাহকদের কথা চিন্তা করে স্মার্টফোন বাজারে আনা।
আর অবশ্যই ওয়ালটনের পরিকল্পনাহীনতা আছে। ঠিকমত গোছানোও না তাদের এই বিভাগ। যেমন সিম্ফনি W20 স্মার্টফোন বাজারে ছাড়ার পর পরই ওয়ালটন একই ধরনের C1 এর ঘোষণা দেয়। সিম্ফনি যখন W30 বাজারে ছাড়ল তখন আবার ওয়ালটন একই ধরনের D1 এর ঘোষনা দেয়। অথচ সেই C1 এর কোন খবর নেই !
একই ধরনের অবস্থা সিম্ফনি এবং মাইক্রোম্যাক্সের ক্ষেত্রেও দেখা যায়। তাদের সকলকে আরো প্রফেশনাল হওয়া উচিত।
Raugh use korar jonno ekta D1 kinbo vabsi…….:)
আগের সেটগুলোই বাজারে পাই না, নতুন গুলো এনে কই করবে?
প্রিমো N1 সবই ভাল লেগেছে, কিন্তু …
কিন্তু ইউএসবি এমএইচএল পোর্ট না থাকাটা অনেক হতাশাজনক,অন্ত:ত আমার জন্য 🙁
এরকম পাওয়ারফুল কোয়াডকোর একটা ডিভাইসে যদি কীবোর্ড, মাউস, এমনকি বড় স্ক্রীণ এটাচ করে ফুল পিসি হিসেবে ব্যাবহার করতে না পারলাম তবে কেবল পকেটেই কোয়াডকোরের পাওয়ার রেখে আর এইচডি ভিডিও দেখে মজা পাব বলে মনে হচ্ছে না 😛
সজীব ভাই,আমি একটু অন্য বাপারে জানতে চাই. এখানে কমেন্ট করা ঠিক হচ্ছে কিনা জানিনা.ভুল হলে মাফ করবেন. গতকাল Multiplan center এ Ainol novo 10 hero হাতে নিয়ে দেখলাম. build quality এক কথায় অসাধারণ লাগলো!cortex A9 processor, Mali 400 GPU, LG 10.1 inch IPS display, 1GB DDR3 RAM এ পার্ফরমেন্স খুব ভাল. এরপর আমি কিছু in-depth review পড়লাম. সবই ইতিবাচক. ainol novo website এ অর্ডার দিলে ওরা 3 working days এর ভিতরে হোমডেলিভারি দিবে. দাম পড়বে 17500 টাকা. কিন্তু ainol novo hero 2 quad core এর specifications এর থেকে ভাল হলেও দাম অনেক কম(16000 টাকা) . কারণ টা বুজলাম না. আপনি একটু পরামর্শ দিবেন কোনটা ভাল হবে?
সজিব ভাই, এন ১ এর দাম কত হতে পারে?
C1 এ WiFi থাকবে?
সিম্ফনি W50 ইউজ করছি। মহা যন্ত্রণায় আছি। রুট করলে কি ইন্টারনাল মেমরি কিছুটা বাড়বে এবং মোবাইল কি ফাস্ট হবে? জানালে উপকৃত হবো।
দয়া করে কি জানাবেন, সিম্ফোনী W90/ ওয়াল্টন প্রিমো N1 এসব এন্ড্রয়েড ডিভাইস গুলো কি OTG ফিচারসটি সাপোর্ট করে???জানালে উপকৃত হতাম।তাছাড়া ওয়ালটনের বিক্রয় পরবর্তী সেবা কেমন(সেট সার্ভিসিং সেন্টারে গেলে)?
ভাই, দয়া করে ওয়াল্টন প্রিমো D1 এর একটা রিভিউ দেন। খুব দরকার।