
মাত্র দু’দিন আগেই আমরা জানিয়েছিলাম বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা স্মার্টফোন আনতে যাচ্ছে চাইনিজ প্রতিষ্ঠান ZTE. পাতলা বলে এর স্পেসিফিকেশন মোটেই কম নয়। কোয়াড কোর স্ন্যাপড্রাগন এস ৪ প্রো প্রসেসর, ২ গিগাবাইট RAM, ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ও ১০৮০পি ফুল এইচডি ৫ ইঞ্চি ডিসপ্লে সত্যিই তাক লাগিয়ে দেয়ার মতো; বিশেষ করে যখন কোম্পানিটি সাধারণত কম দামী ফোন আর ইন্টারনেট মডেমের জন্যই পরিচিত। তাই এই খবর প্রকাশের পর অনেক যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসীই ভাবছিলেন এই ফোন আদৌ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আসবে কি না। আর তাদের জবাব দিতেই সংবাদমাধ্যম দি ওয়াল স্ট্রিটের সঙ্গে কথা বলেছেন জেডটিই-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট। তার জবাব ছিল, যুক্তরাষ্ট্রে এই ফোন আসবে। আর কেবল আসবেই না, এটি মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে আইফোন ও গ্যালাক্সি এস ৩-এর সঙ্গে।
জেডটিই-এর এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট বি শিয়ো জানিয়েছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র ৫% মার্কেট শেয়ার নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। তাই তার কোম্পানি অ্যাপল ও স্যামসাং এর সঙ্গে লড়তে যাচ্ছে যাতে করে বিশ্বের টপ ৩ স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের খেতাব জিততে পারে জেডটিই। তিনি আরও আশা প্রকাশ করেছেন, সারা বিশ্ব নয়, শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রই তাদের আয়ের প্রধান ক্ষেত্র হয়ে দাঁড়াবে।
তবে একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এমন বক্তব্য ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসেও শোনা গেছে। সেই অনুযায়ী খুব একটা ভালো করতে পারেনি জেডটিই। তবে নতুন ফোন গ্র্যান্ড এস দেখে অনেকেই আশাবাদী এবার কিছু একটা করে দেখাবে জেডটিই।

আইফোন বা গ্যালাক্সি এস ৩ এর মতো জনপ্রিয় ডিভাইসগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সম্ভব এই গ্র্যান্ড এস-এর মাধ্যমে। কিন্তু তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ক্যারিয়ারগুলোর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে জেডটিইকে। বিশেষজ্ঞদের এমন মতামতের উপর ভিত্তি করেই হোক আর বাজার গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতেই হোক, জেডটিই ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের ক্যারিয়ারগুলোর সঙ্গে ‘সুসম্পর্ক’ গড়ে তোলার জন্য তৎপর হয়ে উঠেছে এমনটাই জানিয়েছে সূত্র।
চাইনিজ একটি ব্র্যান্ড আসলেই কতোটা উপরে উঠতে পারে তাই দেখা যাবে আগামী বছরে। আর এর কিছুটা ধারণা পাওয়া যাবে জানুয়ারির কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স শো-তে। কেননা, সেখানেই এই নতুন খেলোয়াড়ের প্রথম প্রদর্শনী হবে।

আসলেই আসা দরকার। এইরকম চলতে থাকলে কয়েকটা কোম্পানি বাজারে দখল করে রাখবে। আর দামও কমবেনা। যত বেশী নতুন নতুন কোম্পানি আসবে গ্রাহকদের কিনতে সুবিধা হবে।
তবে বাংলাদেশে আসেনা শুধু।
বাংলাদেশে চলে আসবে হয়তো। দেখা যাক।
অ্যাপলরে বাশ খাওয়াইতে পারলে ভালা লাগবো 😀
সেটা সম্ভব না। অ্যাপল কেবল ব্র্যান্ডেই বেশি চলে।
তা ঠিক, কিন্তু ওদের জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়া শুরু হয়েছে। সেই ভয়েইতো খালি মামলা করে 😛
তা ঠিক। স্টিভ জবসের অভাব ইতোমধ্যেই অনুভব করতে শুরু করেছে বিশ্ব।
আমি যথেষ্ট আশাবাদী এই মডেলটা নিয়ে। আউটলুক থেকে মোটামুটি সব কিছুই পাল্লা দেয়ার মত মনে হচ্ছে !!
ZTE চায়না হলেও তাদের পন্যের সাথে সিম্পোনি র মত চাইনিজের অনেক পার্থক্য। ওরা স্যামসাং নকিয়ার মত বড় বড় কোম্পানী কে হ্যান্ডসেট হার্ডওয়ার বানিয়ে দেয়,ওরা মুলত টেলীকম নেটয়ার্ক ইকুপমেন্ট সাপ্লাই এবং সেবা প্রধান করে।কম দামি কিছু সেট মডেম বানালেও আমার মনে হয় সেটা ওদের শখের বশে বানায় 😛 ZTE Blade একটা সেট আমি ইউজ করেছি।এক কথায় চরম।ব্যাটারি ব্যাকাপ স্ক্রিন রেসুলেশন সব কিছু। আমি যদি নেক্সট কোন সেট কিনি তাহ্লে স্যামসাং মটোরলার পাশাপাশি ZTE কে মাথায় রাখব। বাংলাদেশে মনে হয় ৪-৫ জন লোক এই ব্যান্ড ইউজ করে 😛 চায়নার কিছু ব্যান্ড সেট আছে যা বাইরে বের হয়না কিন্তু সেল হয় স্যামসাং নকিয়ার চেয়েও কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেশী