অ্যান্ড্রয়েড কথনের ভোটাভুটি বিভাগে বেশ কয়েক সপ্তাহ আগে আপনার কোন অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস প্রস্তুতকারী কোম্পানিকে পছন্দ এই শিরোনামে একটি ভোটের ব্যবস্থা করা হয়। আমরা জানতে চেয়েছিলাম, অ্যান্ড্রয়েড জগতে বিভিন্ন ডিভাইস প্রস্তুতকারকদের মধ্যে আপনার মতে সেরা ও আকর্ষণীয় অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস (ফোন ও ট্যাবলেট) তৈরি করে কোন কোম্পানি। চয়েস হিসেবে ছিল স্যামসাং, সনি এক্সপেরিয়া, এইচটিসি, মটোরোলা ও এলজি’র নাম।
সম্প্রতি সেই ভোটে ১ হাজার ভোটার সংখ্যা অতিক্রম করেছে। তাই আমরা কোন কোম্পানি সবচেয়ে আকর্ষণীয় অ্যান্ড্রয়েড ফোন তৈরি করে এই ভোটটি বন্ধ করে দিচ্ছি ও নিচে জানাচ্ছি এর ফলাফল।
যেমনটা উপরে দেখতে পারছেন, ৪৪৮ ভোট পেয়ে স্যামসাং-ই সবার উপরে রয়েছে। তারপর ৪০৪ ভোটে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সনি এক্সপেরিয়া, ১৩২ ভোটে তৃতীয় অবস্থানে এইচটিসি এবং ১৬ ও ৯টি ভোটে যথাক্রমে এলজি ও মটোরোলা চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে। যদিও এক পলকেই দেখা যাচ্ছে বিজয়ী হচ্ছে স্যামসাং, তবুও এখানে আরো কিছু বলা আছে।
অ্যান্ড্রয়েড কথনের যাত্রা শুরুর পর মূলত ফেসবুকের মাধ্যমেই এই সাইট সম্পর্কে প্রচারণা করা হয়। লিড রাইটার ও ফাউন্ডার হিসেবে আমার কাঁধেই দায়িত্বটা বেশি ছিল। এতোদিন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার ও লেখালেখি করার সুবাদে আমার বন্ধু তালিকায়ও প্রযুক্তি মনষ্ক মানুষই বেশি আছেন। আর তাই শুরুর দিকে আইটি নিয়ে মোটামুটি ভালো ধারণা রাখেন এমন পাঠকরাই অ্যান্ড্রয়েড কথনে আসতে শুরু করেন।
সেরা অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস নির্মাতার ভোটটি শুরু হয় সে সময়ই। আর ভোটাভুটি শুরুর পর থেকে টানা বহুদিন অধিক ভোট পেয়ে শীর্ষস্থান ধরে রাখে সনির এক্সপেরিয়া। স্পষ্টই দেখা যাচ্ছিল, জয়টা এক্সপেরিয়ারই হবে। কিন্তু ১৫ই অক্টোবরের পর হঠাৎই সব পরিবর্তন হয়ে গেল।
অক্টোবরের ১৫ তারিখ জাতীয় দৈনিক পত্রিকা প্রথম আলোয় অ্যান্ড্রয়েড কথন সম্পর্কে লেখা হয়। স্বাভাবিকভাবেই তখন দেশের ও দেশের বাইরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ অ্যান্ড্রয়েড কথন ভিজিট করতে শুরু করেন। তাদের অধিকাংশই নিয়মিত ভিজিট করছেন না, কিন্তু সেই এক ভিজিটে অনেকেই সেরা অ্যান্ড্রয়েড ফোন নির্মাতা কোম্পানিকে ভোটটা দিয়ে গেছেন। আর ঠিক সেদিন থেকেই এক্সপেরিয়ার পাওয়া ভোটকে ছাড়িয়ে যেতে শুরু করে স্যামসাং।
তাই আমি ধারণা করছি, সাধারণ মানুষের চোখে পড়া মাত্রই তারা স্যামসাং-কে ভোট দিতে শুরু করেন। স্যামসাং বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন জগতে শীর্ষস্থানে রয়েছে যদিও মিড-রেঞ্জে এক্সপেরিয়ার ফোনগুলো অনেকের কাছেই বেশি জনপ্রিয় ও পারফরম্যান্সেও স্যামসাংকে ছাড়িয়ে যায় বলে অনেকের মতামত। কিন্তু সাধারণ মানুষ বা ক্রেতার কাছে স্যামসাং-ই বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করে নিয়েছে। তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে অ্যান্ড্রয়েড কথনে আয়োজিত এই ভোটাভুটিতে।
আর সে জন্যই এই কথা বলা যেতে পারে, একটু প্রযুক্তি মনষ্ক ব্যক্তিরা স্যামসাং-এর চাইতে সনির এক্সপেরিয়া ডিভাইস পছন্দ করে থাকেন। হয়তো তারা স্মার্টফোন কেনার আগে ইন্টারনেটে অনেক ঘাঁটাঘাটি করে থাকেন বলে এই বিষয়ে নিশ্চিত হন যে মধ্যম-বাজেটে এক্সপেরিয়া স্মার্টফোন হচ্ছে সেরা। অন্যদিকে সাধারণ ব্যবহারকারী স্যামসাং-এর বিপুল প্রচারণা ও গ্যালাক্সি এস ৩-এর মতো ফ্ল্যাগশিপ ফোন দেখে স্যামসাং-কেই সেরা হিসেবে তাদের ভোট দিয়েছেন।
তো, এই ছিল অ্যান্ড্রয়েড কথনে আয়োজিত প্রথম ভোটাভুটির ফলাফল। এই ভোটে মোট ভোটদাতার সংখ্যা ছিল ১০০৯ জন। শীঘ্রই আগামী ভোটটি চালু হবে অ্যান্ড্রয়েড কথনে। তা আলাদা পোস্টের পাশাপাশি অ্যান্ড্রয়েড কথনের ডান পাশের কলামেও সবসময় দেখতে পাবেন আপনারা।
যারা এ আয়োজনে ভোট দিয়ে মত প্রকাশ করেছেন, তাদের জানাচ্ছি আন্তরিক ধন্যবাদ। 🙂


পর্যালোচনা’টা বেশী সুন্দর হয়েছে। 🙂
ধন্যবাদ। 🙂 কালকে দিনে (যখন অনেকে ফেসবুকে থাকবে) শেয়ার করে দিও। 😉
আমার কাছেও এক্সপেরিয়া ভাল মনে হয়েছে।অল্প দামের সেট গুলায় এক্সপেরিয়ার সাথে অন্য কোন সেটের তুলনা চলে না সামসাং এর গালাক্সী ওয়াই এইচ এই গুলা থেকে এক্সপেরিয়া অনেক ভাল। এইচটিসি এলজি এক্সপেনসিভ।
ভালো চিন্তা করছেন তোহ !
ধন্যবাদ। 🙂
আমি এক্সপেরিয়াতে ছিল মেরেছি। আগে স্যামসাং ইউজ করতাম, মাঝে এইচটিসি ইউজ করেছি, এখন এক্সপেরিয়া ইউজ করছি। স্যামসাং ভোট পেয়েছে তাদের ব্যাপক মার্কেটিং স্ট্যাটেজির জন্য। কিন্তু ওদের টাচউইজ ইন্টারফেস দেখলে মনে হয় ওরা ওদের জাভা বেসড ফোনে এ্যান্ড্রয়েড ঢুকিয়ে দিতেছে। এইচটিসির বিল্ট কোয়ালিটি ভালো তবে দাম বিবেচনা করে টু এক্সপেন্সিভ। এক্সপেরিয়া হল ভ্যালু ফর মানি। এত অল্প টাকায় এত ভাল কনফিগারেশন আর কেউ দিচ্ছে না। আর এরিকসন বাদ যাওয়ার পর সেট গুলো দারুণ স্টাইলিশ হয়েছে।
ঠিক বলেছেন। শুধু ব্যাপক মার্কেটিং-এর জন্যই স্যামসাং আজ অ্যান্ড্রয়েড বাজারের শীর্ষে। আমি বুঝি না সনি কেন আরও ব্যাপক মার্কেটিং-এ যাচ্ছে না। কারণ আপনি ঠিকই বলেছেন। ভ্যালু ফর মানি কেবল এক্সপেরিয়া সেটগুলোয়ই পাওয়া যায়। অন্যগুলো হয় ওভারপ্রাইসড নয় প্রাইসের তুলনায় ক্ষমতা কম (গ্যালাক্সি ওয়াই)।
আর তাছাড়া স্যামসাং-ই একমাত্র বাংলাদেশে অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি দিচ্ছে। এটাও একটা বড় কারন। এখন তারা ২ বছরের ওয়ারেন্টি দিচ্ছে যেটা স্মার্ট ফোনের জন্য আশাতীত। আমি নিজেও এইচটিসি আর এক্সপেরিয়া কেনার সময় বারবার আল্লাহর নাম নিয়েছি (!) এবং এইচটিসিতে বড় ধরণের ধরাও খেয়েছি। আগে এক্সপেরিয়ার ফ্র্যাঞ্চাইজ ছিল যারা মোটামুটি মানের আফটার সেলস সার্ভিস দিত এখন তাও নেই। আশা করি স্মার্টফোনের চাহিদা বাড়লে এক্সপেরিয়া বাংলাদেশের মার্কেয়াটের দিকে গুরুত্ব দিবে।
ইন্ডিয়ান চ্যানেলে দুয়েকবার এক্সপেরিয়ার বিজ্ঞাপন দেখেছি। সম্ভবত তারা ইন্ডিয়ায় ডিলারশিপ দিয়েছে। সেই হিসেবে বাংলাদেশেও যে কোনো সময় চলে আসতে পারে।
হুম ঠিক বলেছেন । ইন্ডিয়ায় ডিলারশিপ দিয়েছে । টিপো , সহ অনেক গুলা হ্যান্ডসেটের বিজ্ঞাপন দেখা যায় । ৯৯৯৯ রুপিতে আইসিএস সহ টিপো পাওয়া যাচ্ছে । মনে হয় ইন্ডিয়াতে ভাল মার্কেট পেলে বাংলাদেশেও আসবে 🙂
এরিকসন বদলে এখন সনি হয়েছে তো, দেখা যাক আগামী বছরে হয়তো তাদের ডিলারশিপ আসবে বাংলাদেশে।
আমি
এমন অনেককে চিনি যারা অ্যান্ড্রয়েড মানেই স্যামসাং কেই বুঝে, অন্যগুলো
ভাববার সময় নেই। যারা খালি স্যামসাং-ই ইউজ করেছে, অন্যগুলো ইউজ করে নাই;
তারাই স্যামসাং-কে ভোট দিবে স্বাভাবিক। আমি স্যামসাং, সনি, এইচটিসি,
মটোরোলা, এলজি-র অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস দেখেছি। প্রত্যেকেই
যার যার অবস্থান থেকে স্বতন্ত্র। যেমন: এইচটিসি-র ডিজাইন অনেকের কাছে ভাল
না লাগলেও এর কেসিং অন্যান্য ব্র্যান্ডের চেয়েও মজবুত। এলজি-মটোরোলা
ব্যবহার করে ইন্টেল-এনভিডিয়া-র চিপসেট; তাই সেগুলো এক্সপেনসিভ হবার কারণে
মানুষের হাতের নাগালের বাইরে। স্যামসাং আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে অর্ডিনারি
লাগে; কেমন যেন অ্যাপলের কার্বন কপি। সেই তুলনায় সনি অনেক ব্যতিক্রম। যেমন
ক্যামেরা-স্ক্রিন-সাউন্ড কোয়ালিটি, তেমন আকর্ষণীয় এর ডিজাইন কনসেপ্ট। আর
পারফরমেন্সের কথা কি আর বলবো। যে দামে স্যামসাং এর মিডরেঞ্জ অ্যান্ড্রয়েড
হয়, সেই একই দামে হাই-এন্ড সনি পাওয়া যাচ্ছে। ভাগ্যিস লিস্টে সিম্ফোনি ছিল
না। থাকলে ম্যাঙ্গো-পাবলিক (আমজনতা) গণভোটে ওটাই এগিয়ে যেতো মূলত সস্তার
কারণে।
সত্যি বলেছেন। যারা কেবল স্যামসাং ব্যবহার করেছেন তারা স্যামসাংকেই ভোট দেবেন এটাই আসলে স্বাভাবিক। তবে অনেকে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৩ কে যেভাবে চেনেন, অ্যান্ড্রয়েড জিনিসটাকে সেভাবে চেনেন না। কিংবা এও জানেন না যে স্যামসাং-এর একই সফটওয়্যার এইচটিসি বা সনির সেটগুলোয় চলে। তাই বাংলাদেশের বাজারে বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড ফোন মানে স্যামসাং, সিমফোনি আর ওয়াল্টন।
আসলে স্যামসাং অনেকে বেশি ইউজ হয় । এই কারনে বোধহয় স্যামসাং বেশি ভোট পেয়েছে। আবার অন্যদিকে তুলনামূলক কম দামে এক্সপেরিয়ার ভালো পারফর্মেন্সওয়ালা সেট পাওয়া যায়। যে কারনে এক্সপেরিয়া অনেকে চয়েজ করেছে। এলজি বা মটোরোলার দাম অনেক তাই অনেকেই এগুলো ইউজ করে না তাই ভোট কম পেয়েছে।
বাংলাদেশে স্যামসাং সরাসরি ব্যবসা করে বলেও হয়তো সাধারণ মানুষ স্যামসাংকে ভোট দিয়েছেন। তবে এলজির কিছু কিছু সেট স্যামসাং-এর হাইএন্ড সেটকেও ছাড়িয়ে যায়।
আমি অনেকদিন ধরেই স্মার্টফোন ব্যবহার করি। প্রথম ফোন ছিল এইচটিসি এর, পরে নতুন একটি কিনলাম ওটাও। আমার ফ্রেন্ড থেকে নিয়ে স্যামসাঙ ইউজ করে দেখেছি। ভালো লাগে নি। সনি ইউজ করা হয়নি যদিও। কিন্তু সব শুনে মনে হয়েছে এইচটিসি বেস্ট। ওদের কোয়ালিটি অনেক ভালো। যদিও একটু দাম বেশি পরে কিন্তু সন্তুষ্টি থাকবে।
এইচটিসি নিয়ে আসলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। স্যামসাং কে একেক জন একক ভাবে দেখেন। তবে ওভারঅল এক্সপেরিয়া নিয়ে মোটামুটি ভালো মন্তব্য সবার কাছ থেকেই পাওয়া যায়।
আমি Xperia Neo ব্যবহার করি এবং Sony কে ভোট দেয়াছি। আমার ধারনা এই যে অনেকে শুধু Samsung Galaxy S এর Note এর নাম শুনে Samsung কে ভোট দিয়াছে।
যদিও আমি নিজে কোনদিন Samsung Android ব্যবহার করিনাই কিন্তু আমি Samsung Java সেট ব্যবহার করছি এবং আমার মানেহয় Samsung তাদের Java interface কে Touchwiz এ পরিবরতন করছে :/ আর
Sony আর interface/Ui খুব সুন্দর ও অন্যান্য Android থেকে ভিন্ন, আছারা কম দামে উপযুক্ত Android একমাত্র Xperia Device গুলাই।
আমি অনেক কিছু Android সম্পর্কে পার্থক্য দেকাথে পারি কিন্তু এখন সবাই মনে করবে আমি বকবক করছি, তাই আর লিখলামনা।
এতদিন এক্সপেরিয়াই ব্যবহার করতাম। কিন্তু এস৩ এর পর আর এক্সপেরিয়া ভাল লাগার কথা না। যদিও নামের সাথে মিলিয়ে এক্সপেরিয়া টি কেনার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু অনেক জায়গায়ই ক্যামেরা কোয়ালিটি খারাপ এরকম রিভিউ পেলাম। এস৩ এর সাথে ড্রপবক্সে ৫০ জিবি ফ্রি স্টোরেজ পেয়ে গেলাম।
যার যার পছন্দ। 🙂 আমি এস ৩ দেখিনি। এস ২ দেখেছি। সেই সঙ্গে এক্সপেরিয়ার তুলনা করলে এক্সপেরিয়াই বেটার ছিল।
যাই হোক, মন্তব্য জানানোর জন্য ধন্যবাদ। 🙂
আমি তো সনি (একই সাথে সাবেক সনি এরিকসন)-র ক্যামেরায় তেমন কোন খারাপ কিছু পাই নি। এরা অল্প আলোতেও চমৎকার ছবি ধারণ করতে পারে যেটা স্যামসাং এর হাই-এন্ড সেটেও সম্ভব নয়। আইফোন তো দূরের কথা। আমি নিজে compare করেছি Sony Ericsson XPERIA arc, Sony XPERIA U, Samsung Galaxy y, Samsung Galaxy Ace, Samsung Galaxy SII, Apple iPhone 3 & Apple iPhone 4S।
সনি অথবা স্যামসাং কোন ক্যামেরাই খারাপ না। কিন্তু যখন এরকম প্রতিযোগিতামূলক তুলনা করা হয়, তখন ক্ষুদ্র ত্রুটিগুলোও দেখা হয়। এক্সপেরিয়া টি – তে ক্যামেরা পিক কিছু সময় ঘোলা আসে বিশেষ করে burst shot এ। সেই তুলনায় গ্যালাক্সি এস৩ – তে burst shot অনেক ভাল এবং পারফেক্ট আসে। যদিও এক্সপেরিয়া টি’র ব্যাপারটা রিভিউ থেকে জানা। ব্যবহার করলে হয়তো ভাল বোঝা যেত।
হঠাত করেই একদিন দেখলাম স্যামসাং অনেক এগিয়ে গেছে এক্সপিরিয়ার তুলনায় । তার কারনটা যে এই তা জানতাম না । Android Kothon এর কাছে অনুরোধ থাকবে শুধু মাত্র নতুন হ্যান্ডসেট না কিছু মিডবাজেটের হ্যান্ডসেটের রিভিউ তুলে ধরার জন্য । যেমন এক্সপিরিয়া টিপো , ইউ , সোলা । তুলনামূলক কম দামের এই সেট গুলা মানুষ কেনার আগে ভাল মন্দ দিক খুজে বেড়ায় । তাই এগুলার রিভিউ দিলে মনে হয় অনেকের উপকার হবে । 🙂
ধন্যবাদ। আমরা অবশ্যই চেষ্টা করবো। আসলে আমরা হ্যান্ডস-অন রিভিউ দিতে চাই। কিন্তু প্রতিবন্ধকতার কারণে হয়ে ওঠে না। বিস্তারিত জানতে পারবেন এই পাতায়ঃ http://androidkothon.com/hands-on-review
I think Sony Experia is more beter than Samsung.Specialy Data prosesing & Camera quality.
ক্যামেরা কোয়ালিটির দিক দিয়ে নিঃসন্দেহে।
আমি স্যামসাং কে ভোট দিয়েছি। আমার নিজের নোট আর দুলাভাইয়ের সনি এক্সপেরিয়াতে এস দুইটাই ব্যবহার করি। দুইটাই প্রায় একই কনফিগারেশন। কিন্তু গেম খেলার সময় পার্থক্য পাওয়া যায়। আর স্যামসাং এর ডিসপ্লে বেশি উজ্জল। তবে দামের তুলনা করলে সনি এগিয়ে থাকবে।
একেকজনের একেক রকম অভিমত। তবে আপনার ভোট দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। 🙂
আগে আমি স্যামসাং ইউজ করতাম এখন এক্সপেরিয়া ইউজ করি সবকিছু মিলেই আমার কাছে সনিই সেরা মনে হয়____ তাই সনিকে ভোট দিয়েছিলাম___
যত যাইহোক সনির বিকল্প হবেনা। প্রযুক্তিতে সনির ফোনের মত ফিচার কম দামে কেও দিতে পারবে না।