
বিশ্বব্যাপী ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা মজিলা ফাউন্ডেশনের ফায়ারফক্স ওএস নামের অপারেটিং সিস্টেমের নাম প্রযুক্তি জগতের খবরাখবর রাখেন এমন প্রায় সবাই-ই শুনেছেন। বহুদিন ধরেই আসি আসি করলেও এখনও বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রেতাদের জন্য কোনো ফায়ারফক্স ওএস-চালিত ডিভাইস মুক্তি পায়নি। স্পেন, ভেনিজুয়েলার মতো বেশ কিছু দেশে ইতোমধ্যেই ফায়ারফক্স ওএস-চালিত ফোন বিক্রি শুরু হয়েছে, আর সেগুলোর জনপ্রিয়তাও নিতান্ত কম নয়। তবে কখন বাংলাদেশে অপেক্ষমান ব্যবহারকারীরা ফায়ারফক্স ওএস-এর স্বাদ পেতে যাচ্ছেন?
এশিয়ার এই অঞ্চলে প্রথম দেশ হিসেবে ভারতে ইতোমধ্যেই স্ন্যাপডিলের মাধ্যমে ফায়ারফক্স ওএস-চালিত ডিভাইস বিক্রি শুরু হয়েছে, যা নিয়ে বিস্তারিত রয়েছে পূর্ববর্তী এক পোস্টে। আশা করা হচ্ছে, শিগগিরই দেশের বাজারে আসতে যাচ্ছে ফায়ারফক্স ওএস-চালিত ফোন। আর অনেক কিছুই ইঙ্গিত করছে দেশের বৃহত্তম মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের হাত ধরেই যাত্রা শুরু করবে মজিলার বহুল আকাঙ্ক্ষিত ফায়ারফক্স ওএস।
কিন্তু কী এই ফায়ারফক্স ওএস? কী এর সুবিধা? কেনই বা এই অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে এতো মাতামাতি? দেশীয় ব্যবহারকারীদের জন্য ফায়ারফক্স ওএস আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পাবার আগেভাগেই ফায়ারফক্স ওএস সম্পর্কিত ৯টি তথ্য নিয়েই আজকের এই পোস্ট।
১. দাম
ফায়ারফক্স ওএস-এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হতে পারে এর দাম। ফিচার ফোনের দামে স্মার্টফোন পাওয়ার স্বপ্ন আর দেখতে হবে না। মজিলার এই অপারেটিং সিস্টেমের কল্যাণে তুলনামূলক কম দামেই আপনার হাতে পৌঁছাতে পারে আপনার প্রথম স্মার্টফোন। মূলত নামমাত্র দামে সবার হাতে হাতে ওয়েবের সব সুবিধা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্য নিয়েই যাত্রা শুরু করেছে মজিলার ফায়ারফক্স ওএস।
২. এইচটিএমএল৫
প্রযুক্তিগত বিষয় নিয়ে খুব একটা ঘাঁটাঘাটি করেন না এমন পাঠকদের কাছে এইচটিএমএল৫ অর্থহীন মনে হতে পারে। কিন্তু একে মোটেই অর্থহীন ভাববেন না। বরং, বলা যেতে পারে, ফায়ারফক্স ওএস-এর অন্যতম প্রধান আকর্ষণই হলো এটি এইচটিএমএল৫-ভিত্তিক। বলা যেতে পারে, ফায়ারফক্স ওএস ফোনটি একটি ব্রাউজারের মতো, যার মাধ্যমে আপনি ফোন করতে পারবেন, নম্বর সংরক্ষণ করতে পারবেন, এসএমএস বা ইমেইল পাঠাতে পারবেন, আর অবশ্যই ওয়েব ব্রাউজিং-ও করতে পারবেন। প্রযুক্তিগত কারণেই এটি খুবই কম হার্ডওয়্যারে ভালো কাজ করতে সক্ষম। যে কারণে ফায়ারফক্স ওএস-চালিত ডিভাইসের দাম সাধারণ স্মার্টফোনের চেয়ে কম হতে পারে।
দাম ছাড়াও আরেকটি সুবিধা পাওয়া যাবে সেটি হলো ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চালানো। ইতোমধ্যেই এইচটিএমএল৫-এর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী হয়ে গেছে (ইউটিউবও বর্তমান ব্রাউজারগুলোতে এইচটিএমএল৫ প্লেয়ারে ভিডিও স্ট্রিম করে থাকে), আর ডেভেলপাররা চাইলে সহজেই ফায়ারফক্স ওএস-এর জন্য তাদের যে কোনো অ্যাপ্লিকেশন পোর্ট করতে পারবেন। আর যদি পোর্ট নাও করা হয়, বেশিরভাগ এইচটিএমএল৫-ভিত্তিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনই ফায়ারফক্স ওএস-এর ব্রাউজারের মাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে। কেননা, পুরো অপারেটিং সিস্টেমটিই এইচটিএমএল৫ ও জাভাস্ক্রিপ্ট-ভিত্তিক।
৩. স্পেসিফিকেশনই সব নয়
সাধারণত স্মার্টফোন সম্পর্কে জানতে গেলে প্রথমেই আমরা জানতে চাই ফোনটির হার্ডওয়্যার স্পেসিফিকেশন। এতে কতগতির প্রসেসর রয়েছে, কতটি কোর কাজ করছে, কত গিগাবাইট র্যাম রয়েছে ইত্যাদি বিষয়গুলো যেন ফোনটি ভালো না খারাপ তা যাচাই করার মানদণ্ড হিসেবে কাজ করে। ফায়ারফক্স ওএস-এর ক্ষেত্রে এই ভুল করলে চলবে না। কেননা, স্পেসিফিকেশন দেখে পারফরম্যান্স আন্দাজ করা হয় যেসব ফোনে, সেগুলোর অধিকাংশই — বা সবই — অ্যান্ড্রয়েড। ফায়ারফক্স ওএস কাজ করে ভিন্নভাবে। আর তাই এর রকেটগতির প্রসেসর বা কয়েক গিগাবাইট র্যামের প্রয়োজনই পড়ে না। আর যেহেতু প্রয়োজন পড়ে না, সেহেতু হার্ডওয়্যার স্পেসিফিকেশনও থাকে তুলনামূলক কম। যার প্রভাব পড়ে ফোনের দামের উপর, পারফরম্যান্সের উপর নয়।
তাই ফায়ারফক্স ওএস ফোন বিচার করার সময় স্পেসিফিকেশন খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। তবে মেমোরি বা ক্যামেরা মেগাপিক্সেলের ব্যাপার অবশ্য ভিন্ন।
৪. কম ডেটার ব্যবহার
মোবাইলে ইন্টারনেট ডেটা প্যাক কিনে যারা ব্যবহার করেন, তাদের অনেক ক্ষেত্রেই অভিযোগ শোনা যায় যে, স্মার্টফোন কোনো কারণ ছাড়াই তাদের ডেটা খরচ করছে। ফায়ারফক্স ওএস-এর ক্ষেত্রে তেমনটা হবে না। বরং উল্টো সাধারণ ওয়েব ব্রাউজিং-এর ক্ষেত্রেও অন্যান্য স্মার্টফোনের চেয়ে কম ডেটা টানবে। এটি সম্ভব হয় মজিলার একটি বিশেষ ধরনের ওয়েব কমপ্রেশন টেকনিক যেটি মোবাইলে ডেটার ব্যবহার অনেকাংশেই কমিয়ে আনতে পারে।
৫. অ্যাপ্লিকেশনের স্বল্পতা

ফায়ারফক্স মার্কেটপ্লেসে দেখা যাচ্ছে জিপি’স চয়েস নামে আলাদা বিভাগ, যা গ্রামীণফোনের হাত ধরে দেশে ফায়ারফক্স ওএস-এর পদার্পণের খবরকেই ইঙ্গিত করে।
অ্যাপ্লিকেশনের স্বল্পতা এমন একটি সমস্যা যা থেকে উইন্ডোজ ফোনও রেহাই পায়নি। অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস-এর জন্য এতো বেশি অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে যে, যে কোনো নতুন মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমই অ্যাপ্লিকেশন স্বল্পতার ফলে ব্যবহারকারীর নেতিবাচক দৃষ্টিতে পড়ে যান। ফায়ারফক্স ওএস-এর অ্যাপ্লিকেশনের জন্য রয়েছে ফায়ারফক্স মার্কেটপ্লেস। এখানে প্রচুর অ্যাপ্লিকেশন ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে এবং আরও অনেক অ্যাপ্লিকেশন প্রতিনিয়ত যোগ করা হচ্ছে। তবুও আপনার পছন্দের অনেক গেমস বা অ্যাপ্লিকেশনই ফায়ারফক্স ওএস-এ এখনই নাও পেতে পারেন। তবে ওয়েবে ভালো পারফরম্যান্স পাওয়ার জন্য কেনা ফায়ারফক্স ওএস-এ শুরুতে এতোটুকু ছাড় হয়তো দেয়াই যায়।
৬. সোশ্যাল নেটওয়ার্ক নির্ভর
আপনার বাস্তব জীবন যদি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক নির্ভর হয়ে থাকে, তাহলে চিন্তার কোনো কারণ নেই। কেননা, ফায়ারফক্স ওএস-এর সঙ্গে জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ফেসবুক ও টুইটারের বেশ ভালো ইন্টিগ্রেশন রয়েছে। এগুলো অ্যাপ্লিকেশন আকারেই আপনি ব্যবহার করতে পারবেন ফায়ারফক্স ওএস-এর শুরু থেকেই। এমনকি সারাদিন ইউটিউবে কাটানোর অভ্যাস থাকলেও চিন্তার কিছু নেই, ইউটিউবেরও অফিসিয়াল অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে ফায়ারফক্স ওএস-এ। তাই সোশ্যাল নেটওয়ার্কই যাদের জীবন, তাদের জন্য ফায়ারফক্স ওএস বেশ পছন্দের ডিভাইস হয়ে উঠতে খুব বেশিদিন সময় নেবেনা।
৭. গুগল ম্যাপস সাপোর্ট
এইচটিএমএল৫-ভিত্তিক হওয়ার আরেকটি বড় সুবিধা এটি। গুগল ম্যাপসের পূর্ণ সংস্করণই আপনি ব্যবহার করতে পারবেন ফায়ারফক্স ওএস-এ। অ্যাপ ছাড়াও ব্রাউজারের মাধ্যমেও আপনি গুগল ম্যাপসের লোকেশন দেখতে পারবেন কিংবা আপনার ডিভাইসে জিপিএস থাকলে নিজের তাৎক্ষণিক অবস্থান গুগল ম্যাপসে দেখতে পারবেন। পুরো বিষয়টি এইচটিএমএল৫-এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয় বলে গতানুগতিক কম মূল্যের অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গুগল ম্যাপস অ্যাপ্লিকেশনের মতো ধীরগতির পারফরম্যান্স পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
৮. শুরু থেকেই বাংলা
ফায়ারফক্স ওএস-এর প্রতিটি কোণে শুদ্ধ বাংলাদেশি বাংলা ভাষা পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছেন বেশ কিছু নিবেদিত মজিলিয়ান। তাদের এই পরিশ্রমের ফল হিসেবে ফায়ারফক্স ওএস ফোন বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গেই আপনি ডিভাইসটিতে পাবেন পরিপূর্ণ শুদ্ধ বাংলা ভাষা। না, কোনো রোবটিক বাংলা ভাষা নয়, বরং শুদ্ধ বাংলা ভাষা যা বোঝা সহজ ও শুনতে শ্রুতিমধুর। আর অনেক ফার্স্ট টাইম স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর জন্যই এটি হতে পারে অত্যন্ত উপকারী একটি ব্যাপার।
৯. কমিউনিটি সাপোর্ট
ফায়ারফক্স ওএস-এর ডেভেলপমেন্টে সারা বিশ্বের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকেও কাজ করছেন বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবক। আর তারা আপনার ফায়ারফক্স ওএস নিয়ে যে কোনো প্রশ্নের জবাব দিতে সবসময়ই প্রস্তুত। নিজের দেশেই মজিলার স্বেচ্ছাসেবক থাকার সুবিধা নিশ্চয়ই আন্দাজ করতে পারছেন। কোনো ধরনের সমস্যায় পড়লে বা প্রশ্ন থাকলে মজিলার স্বেচ্ছাসেবকদের কাছ থেকেই সাহায্য নিতে পারবেন। আর এই কমিউনিটি সাপোর্ট ফায়ারফক্স ওএস-এর একটি বড় সুবিধা।
ফায়ারফক্স ওএস-চালিত ফোন খুব শিগগিরই দেশের বাজারে অবমুক্ত হতে যাচ্ছে। ফায়ারফক্স ওএস-চালিত ডিভাইসগুলো বাজারে এলে আগে উপরের বিষয়গুলো আপনার কেনার সিদ্ধান্ত নিতে সহায়ক হবে। এছাড়াও আরও জানতে ঘুরে আসতে পারেন ফায়ারফক্স ওএস-এর ওয়েবপেজ।
পোস্টটির প্রথম প্রকাশ


আরেকটা জিনিস এড করলে ভালো হইত, সেইটা হইল, ইচ্ছা করলে ওয়েব ডিজাইনার বা ডেভেলপাররাও এই ওএসের জন্য এপ বানাইতে পারবে। প্রোগ্রামিং জানার দরকার নাই। ঠিক কিনা?
একেবারেই কোডিং না জেনে ভালো অ্যাপ বানানো হয়তো একটু কঠিন হবে, তবে ডেভেলপারদের জন্য এই প্ল্যাটফর্মের জন্য অ্যাপ বানানো যে তুলনামূলক সহজ তা পোস্টের ভেতরে বলা হয়েছে। 🙂
ও। তারমানে, এইচটিএমএল, সিএসএস আর পাশাপাশি সি বা সি প্লাস প্লাস ও সামান্য জানতে হবে?
HTML5, CSS and JavaScript should be enough. 🙂
দারুন। এইচটিএমএল৫ আর সিএসএস৩ আমার শিখা আছে। তাহলে এখন জাভাস্ক্রিপ্ট শিখতে হবে। তা, জাভাস্ক্রিপ্ট কি বেসিক জানলে হবে, নাকি ডিপ লেভেল নলেজ থাকা লাগবে? প্রশ্নটা এই জন্য করতেছি যে, আমি কয়েকদিন জাভাস্ক্রিপ্ট শিখার চেষ্টা করে ছেড়ে দিছিলাম। কঠিন তো, তাই। তাছাড়া, জেকুয়েরি থাকতে জাভাস্ক্রিপ্ট বেশি না জানলেও চলে। এইটা ভেবেই জাভাস্ক্রিপ্ট ছেড়ে দিছিলাম।
আমি নিজে ডেভেলপার না তাই খুব একটা বিস্তারিত বলতে পারছি না। তবে জাভাস্ক্রিপ্ট শেখা থাকলে অনেক কাজে লাগে। তাই আমি মনে করি যেহেতু প্রোগ্রামিং-এ আগ্রহ আছে তাই জাভাস্ক্রিপ্ট শেখা শুরু করে দিন। আর নেট ঘাঁটলে ফায়ারফক্স ওএস এর জন্য অ্যাপ তৈরির বিস্তারিত টিউটোরিয়ালই পাবেন। সেগুলো পড়লে ভালো ধারণা পাবেন কতটুকু জাভাস্ক্রিপ্ট জানা থাকা লাগবে।
হুম। ঠিক আছে। অনেক কিছু জানতে পারলাম। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, আমার প্রশ্নগুলোর সমাধানের জন্য। 🙂
বেসিক জাভাস্ক্রিপ্ট শিখেন পরে জেকুয়েরি শিখেন, তাহলে ভাল করতে পারবেন!
২ নাম্বার পয়েন্ট আর ৩ নাম্বার পয়েন্ট টা ঠিক বুঝলাম না। বিশেষ করে, ৩ নাম্বার পয়েন্ট টা সম্পর্কে কিছুটা বিভ্রান্ত আছি, যদি রেম, প্রসেসর ইত্যাদি যদি কোন ব্যাপার নাই ই হয় তাহলে কি ফায়ারফক্স ও এস ওলা ফোন এ ২৫৬ রেম এ ১০০ টা আপস ইন্সটল করতে পারব। ব্যাপার টা ক্লিয়ার করলে উপকৃত হব।
বিদ্রঃ আমি একজন আম আন্ড্রয়েড ইউসার। সো নতুন টেকনিকাল বুঝতে একটু সমস্যা হয়।
প্রথমত: একশ’টা অ্যাপ কি আপনার আসলেই কোনো কাজে লাগবে? দ্বিতীয়ত: র্যাম প্রসেসর কোনো ব্যাপারই না এমন ইঙ্গিত করা হয়নি। ব্যাপারই না হলে র্যাম প্রসেসর দেয়াই হতো না। বলা হয়েছে, বর্তমানে যেমন ৫১২ র্যামের অ্যান্ড্রয়েডে ভালো পারফরম্যান্স পাওয়া যায় না বললেই চলে, সেই পরিস্থিতির সঙ্গে ফায়ারফক্স ওএস-এর তুলনা না করতে। কেননা, ফায়ারফক্স ওএস-এর প্রযুক্তি অন্যরকম। এর অতি ক্ষমতাশালী হার্ডওয়্যারের দরকার হয় না।
তারমানে অবশ্যই এই না যে, শক্তিশালী হার্ডওয়্যার থাকলে যে কাজ করা যাবে না থাকলেও সে কাজ করা যাবে। এটা খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার।
আর আপনার প্রশ্নের উত্তরে বলবো, খুব সম্ভবত হ্যাঁ, আপনি ১০০ টা অ্যাপও “হয়তো” ইন্সটল করতে পারবেন (ফায়ারফক্স মার্কেটপ্লেসে প্রতিটা অ্যাপ্লিকেশনের সাইজ দেখলেই বুঝতে পারবেন কেন সম্ভব হতেও পারে)।
আরেকটি প্রশ্ন আছে, এন্ড্রয়েড ফোনে কি ফায়ারফক্স ও এস ইন্সটল যায়। মানে আমরা যেভাবে, একই পিসি বা ল্যাপটপে একই সাথে লিনাক্স এবং windows চালাই সেভাবে অথবা আমার সেলফোনের এন্ড্রয়েড ও এস মুছে ফারারফক্স ইন্সটল করা সম্ভব কি? যদি করা যায় কিভাবে তা করা যায়? আর আগের প্রশ্নের দ্রুত রিপ্লাই দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
অ্যান্ড্রয়েডে ফায়ারফক্স ব্রাউজার ইন্সটল করে সেই ব্রাউজারে ফায়ারফক্স ওএস অ্যাপ্লিকেশন চালানো যায়। আর ওএস রিইন্সটল সব অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে সম্ভব হলেও লিনাক্স/উইন্ডোজ ইন্সটলের মতো কাজটা এতো সহজ না। ডেভেলপাররাই কেবল কম্প্যাটিবল করে বিল্ড তৈরি করতে পারেন।
মোবাইল ফোনের বাজার দাম জানতে http://www.tecaction.tk/