
ফরাসী ব্র্যান্ড আর্কসের 101 XS-এর নতুন সংস্করণ 101 XS 2 আনার ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটি। জানা গেছে, এই ডিসেম্বরেই হাইব্রিড এই ট্যাবলেটের নতুন সংস্করণটি বাজারে আসবে।
নতুন Archos 101 XS 2-এর ডিজাইনে তেমন কোনো পার্থক্য না থাকলেও মূল পার্থক্য রয়েছে এর হার্ডওয়্যারে। 101 XS 2-এ ব্যবহৃত হচ্ছে ১.৬ গিগাহার্জ কোয়াড-কোর প্রসেসর, কোয়াড-কোর মালি ৪০০ এমপি৪ জিপিইউ, ২ গিগাবাইট র্যাম ও ১৬ গিগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজ যা মেমোরি কার্ডের সাহায্যে বাড়ানো যাবে।
এছাড়াও ডিভাইসটিতে রয়েছে ১০.১ ইঞ্চি আইপিএস ডিসপ্লে যার রেজুলেশন 1280 x 800 পিক্সেল। পাশাপাশি ট্যাবলেটটির সামনে ও পেছনে ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা রয়েছে। ডুয়েল-ব্যান্ড ওয়াই-ফাই, ওয়াই-ফাই ডিরেক্ট, ব্লুটুথ, জিপিএস, এইচডিএমআই ইত্যাদি ট্যাবলেটের প্রায় সব সুবিধাই রয়েছে এতে।
তবে এতে অ্যান্ড্রয়েড ৪.২ জেলি বিন চলবে বলে জানানো হয়েছে, যা অনেক ক্রেতার জন্যই অপছন্দ করার অন্যতম কারণ হতে পারে যেহেতু অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪ কিটক্যাট চলে এসেছে। অবশ্য এর সঙ্গে অফিস সুট প্রো ৬ দেয়া থাকবে, যার মাধ্যমে অফিস ডকুমেন্ট বা প্রেজেন্টেশন ফাইল নিয়ে কাজ করা যাবে। আর কিকস্ট্যান্ড ও ফুল সাইজ কিবোর্ড সঙ্গেই থাকার কারণে প্রোডাক্টিভিটির কাজ করার জন্য দারুণ একটি ডিভাইস হতে পারে Archos 101 XS 2.
আর্কস জানিয়েছে, এই ডিসেম্বরেই নতুন এই ট্যাবলেটটি বাজারে আসছে। আর এর দাম ধরা হয়েছে ২৭৯ ডলার। দেখা যাক হলিডে সিজনের ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে পারে কি না কিবোর্ড-সম্বলিত এই ট্যাবলেটটি।


15K er moddhe ei company’r kono tab pawa jabe?
আপনি প্রশ্নের উত্তর অত্যন্ত গোজামিল ভাবে দিয়েছেন। যদিও অনেকটা অংশ ঠিক আছে। আমি এনটিভির এক ইসলামী প্রশ্ন উত্তরে যেটা শুনেছিলাম তা এখানে উপস্থাপন করছি। এটা আমার নিজস্ব কোন বক্তব্য নয়।
খৃষ্টনরা প্রাথমিক অবস্থায় টাই ব্যবহারের একটা কারন ছিল সেটা ক্রস বলে, যা ক্রুশ চিন্হের আবহ বহন করত। আর ইসলামে বলা আছে যে, অন্য কোন জাতি বা ধর্মের কোন চিন্হ বা তাদের “ধর্মীয় কালচার” অনুসরন করা যাবে না।
সেইকারনে একটা সময় ক্রুশ চিন্হের আবহ টাই পরা ইসলাম ধর্মে নিষেধ করা হয়েছিল। কিন্তু পরাবর্তীতে, কালের বিবর্তনে এই টাই এখন একটি ফ্যাশনে পরিনত হয়েছে। যা কিনা একটা ড্রেসের অংশ মাত্র।
সেই বিবেচনায় দেখা যায় যে টাই এখন আর বিশেষ কোন ধর্মীয় গোষ্ঠী (যেমন খৃষ্টানরা) ব্যবহার করে না। এটা সকল ধর্মের মানুষই শুধু মাত্র ফ্যাশন হিসাবে ব্যবহার করে। এর ধর্মীয় গ্রহনযোগ্যতা হারিয়েছে।
টাই এর এখন আর কোন ধর্মের চিন্হ হিসাবে ব্যবহার করা হয় না, তাই এটা এখন কোন ধর্মের কালচার হিসাবে বিবেচিত করাও হয় না।
আর যেহেতু এর ধর্মীয় কোন বৈশিষ্ট্য নেই, তাই এটা ফ্যাশন হিসাবে যে কোন মুসলমান ব্যবহার করতে বাধা থাকল না। সেই হিসাবে এখন মুসলমানরা টাই ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা নেই।