অ্যান্ড্রয়েড প্রথমে মোবাইল ফোনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও থেমে থাকেনি সেখানে। ধীরে ধীরে ট্যাবলেটে, ল্যাপটপ কম্পিউটারে, স্যাটেলাইটে, ঘড়িতেসহ বিভিন্ন জায়গায় স্থান করে নিয়েছে এই অপারেটিং সিস্টেম। অ্যান্ড্রয়েড চালানো সম্ভব এমন ল্যাপটপ ইতোমধ্যেই বাজারে থাকলেও ডেস্কের উপর থাকা বিশালাকৃতির কম্পিউটারে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে এবার বাজারে আনতে যাচ্ছে এইচপি স্লেট ২১।

এইচপির নতুন এই অল-ইন-ওয়ান ডেস্কটপ কম্পিউটারের আকৃতি ২১.৫ ইঞ্চি, যার পুরোটাই টাচস্ক্রিনের পর্দা। স্লেট ২১ নামের এই ডিভাইসের অস্বাভাবিক আকৃতির বড় একটি ট্যাবলেট বলা যায় যেটি কিক স্ট্যান্ডের মাধ্যমে ডেস্কটপের উপর সেট করা যায়। ১০৮০পি আইপিএস ডিসপ্লে সম্পন্ন এই অ্যান্ড্রয়েড ডেস্কটপে রয়েছে এনভিডিয়া টেগরা ৪ প্রসেসর ও অ্যান্ড্রয়েডের সর্বশেষ সংস্করণ।
মাত্র ৩৯৯ ডলারের এই ডিভাইসে অবশ্য কোনো বিল্ট-ইন ব্যাটারি দেয়া হয়নি। অর্থাৎ, সাধারণ ডেস্কটপের মতোই এটি সবসময় পাওয়ার সোর্সের সঙ্গে সংযুক্ত রেখে কাজ করতে হবে। এটির পাশাপাশি এইচপি আরও কিছু উইন্ডোজ ৮ ব্যবহৃত অল-ইন-ওয়ান ডিভাইস বাজারে আনছে যেগুলোয় রয়েছে ব্যাটারি ও ইনটেলের নতুন হ্যাজওয়েল প্রসেসর। তবে অ্যান্ড্রয়েড চালিত বিশাল স্ক্রিনের এই ডেস্কটপ কেমন পারফর্ম করবে তা জানার জন্য সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বিশ্বকে।
আর হ্যাঁ, এতে উইন্ডোজ চালানো যাবে কি না সে সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি। তবে ডিভাইসটি বাজারে আসলে আমরা অবশ্যই এটি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবো। সে পর্যন্ত জানান অ্যান্ড্রয়েড-চালিত ডেস্কটপ কম্পিউটার কেনার কোনো কারণ আছে কি না!

অ্যান্ড্রয়েড যদি ধীরে ধীরে ডেস্কটপ বাজারে প্রবেশ করে তবে আমি তাকে স্বাগতম জানাব। কিন্তু ডেস্কটপের জন্য গুগল মনে হয় ক্রোম ওএসকে প্রস্তুত করছে। এই পিসির সাথে উইন্ডোজ/লিনাক্স ডুয়েল বুট করা না গেলে ক্রেতা আকৃষ্ট হবে না। কারন অ্যান্ড্রয়েড এখনও ভারী কাজের জন্য উপযুক্ত না।
আরেকটা ভাল লেখা। ধন্যবাদ আপনাদের।
আমার কেন যেন কখনোই মনে হয়নি অ্যান্ড্রয়েড ডেস্কটপ বা ল্যাপটপের জন্য উপযোগী। অন্তত বর্তমান ইউজার ইন্টারফেসে তো নয়ই। দেখা যাক ৫.০ কি লাইম পাই-এ কী করে। আর ক্রোম ওএস প্রস্তুত করছে মূলত পোর্টেবল ডিভাইসের জন্য (ল্যাপটপ)।
তবে হ্যাঁ, অন্তত লিনাক্স ডুয়েল বুট করার অপশন না থাকলে স্লেট ২১ খুব একটা চলবে বলে আমার মনে হয় না।
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
ক্রোম ওএস আপাতত পোর্টেবল ডিভাইসের জন্যই, কিন্তু ভবিষ্যতে আমার ধারনা এটা ডেস্কটপ/হাই এন্ড ল্যাপটপ পিসির জগতেও প্রবেশ করবে। ডেস্কটপ/ল্যাপটপ পিসির বাজারটা এত বড় যে এর জন্য ওএস তৈরি করেই মাইক্রোসফট আজ পৃথিবীর অন্যতম শীর্ষ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বিল গেটস পৃথিবীর শীর্ষ ধনী। এই বাজার নিয়ে গুগলের মত প্রতিষ্ঠানের কোন চিন্তা ভাবনা থাকবে না তা আমার মনে হয় না। ক্রোম ওএস ভাল একটা অবস্থানে পৌছানোর পরই হয়ত কোন একদিন ডেস্কটপ পিসির বাজারে তাদের প্রবেশ ঘোষনা করবে।
আন্ড্রয়েড এখনো সেভাবে উবুন্ট বা লিনাক্স কিংবা উইন্ডোজ এর মত সার্ভিস দেয়ার মত করে গড়ে ওঠেনি ! অ্যান্ডয়েড এখনো বিশাল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের একটা প্ল্যাটফর্ম রয়ে গেছে ! ইন্সটলেশন প্রসেস যদি রম বেইজড ই থেকে যায় তবে ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ জগতে এক কোনায় পড়ে থাকতে হবে !!
ডেক্সটপ তার নিজের যায়গাতেই থাক। বরং এনড্রয়েডে উইন্ডোজের মোবাইল ভার্সন কম্পাটিবিলিটি থাকতে পারে।মাইক্রোসফট অফিস, এডোব ফটোশপ, ইলাসট্রেটর, অটোক্যাড, এইসব প্রফেশনাল সফটওয়ারের ওরিজিনাল টেস্ট এন্ড্রোয়েডে পাওয়া যাবে না।
দেখা যাক কি হয় :/ তবে অ্যান্ড্রয়েড ডেস্কটপ কেমন জানি বেমানান লাগতেসে :p