
অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা ও প্রতীক্ষার পর বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ৩জি ইন্টারনেট সেবা চালু করে টেলিটক। প্রথম যখন টেলিটকের সিম বাজারে ছাড়া হয়, তখন যেমন ব্যাপক চাহিদা ও ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে, ধারণা করা হচ্ছিল টেলিটক ৩জি সিম বাজারে আসার পরও এমনি ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাবে টেলিটকের আউটলেটগুলোর সামনে।
কিন্তু তেমনটা তো হয়ইনি, বরং উল্টো ৩জি সিম বিক্রি করতে টেলিটককে প্রচারণায় প্রচুর ব্যয় করতে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের আগ্রহের শেষ নেই, কিন্তু নামটা যখন “টেলিটক,” যাদের মোবাইল নেটওয়ার্কই সবখানে ঠিকভাবে পাওয়া যায় না, তাদের ৩জি নেটওয়ার্ক আসলে কেমন হবে এই দ্বিধাদ্বন্দ্বই হয়তো ক্রেতা আকৃষ্ট না হওয়ার মূল কারণ।
৩জি ইন্টারনেটের সুবিধা পেতে হলে ব্যবহারকারীকে অবশ্যই ৩জি সুবিধা-সম্বলিত হ্যান্ডসেটের প্রয়োজন হবে। নকিয়ার ৩জি সুবিধা-সম্পন্ন কিছু কমদামী সেট থাকলেও সেগুলোর ইন্টারনেটের গতি খুবই কম। অর্থাৎ, ৩জি ব্যবহার করতে হলে ব্যবহারকারীকে স্মার্টফোনের দ্বারস্থ হতে হবে। আর সাধারণ মানুষের জন্য স্মার্টফোন মানেই অ্যান্ড্রয়েড। উইন্ডোজ ফোন চালিত নকিয়া লুমিয়া কিংবা অ্যাপল আইফোন সাধারণ মানুষের নাগালের অনেক বাইরে। এছাড়াও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার বিষয় বিবেচনা করলেও অ্যান্ড্রয়েড ফোনই ৩জি ইন্টারনেট ব্যবহারে ইচ্ছুক ক্রেতার একমাত্র উপায়। তাই আমরা অ্যান্ড্রয়েড কথন টিম আজ প্রকাশ করছি টেলিটক ৩জি ও ফ্ল্যাশ মডেমের হ্যান্ডস-অন রিভিউ।
Teletalk 3G
প্রথমেই জানিয়ে নেই আমাদের ব্যবহৃত ইউনিট সম্পর্কিত তথ্য। টেলিটকের পুরনো ২জি সিমগুলোকেও ৩জিতে রূপান্তর করা যায় নির্দিষ্ট ফি দেয়ার বিনিময়ে। সে তথ্য হয়তো সবাই জানেন। কিন্তু আমাদের ইউনিট ছিল সম্পূর্ণ নতুন টেলিটক ৩জি সিম ও ফ্ল্যাশ মডেমের বান্ডল। স্মার্টফোন এক্সপো ২০১৩-তে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাঝে বিনামূল্যে টেলিটক ৩জি সিম দেয়া হয়, যাদের মধ্যে অ্যান্ড্রয়েড কথন ছিল।
টেলিটক ৩জি সিমটি আমরা সঙ্গে দেয়া ফ্ল্যাশ মডেমের পাশাপাশি ৩জি ইন্টারনেট সুবিধাসম্পন্ন অ্যান্ড্রয়েড ফোন সনি এরিকসন এক্সপেরিয়া মিনি প্রো-তে ব্যবহার করেছি। এতে করে মোবাইলে ব্যবহারকারীরা কী রকম অভিজ্ঞতা পাবেন তাও ধারণা করা সম্ভব হয়েছে। তো চলুন দেখে নেয়া যাক আসলেই কেমন পারফরম্যান্স দিচ্ছে টেলিটক ৩জি।
Teletalk 3G Flash Modem
টেলিটক ৩জি ফ্ল্যাশ মডেমের দাম ২,৫০০ টাকা, সঙ্গে থাকছে ৩জি সিম। কেনার সময় স্বাভাবিক সিম কেনার মতোই রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে। আর সঙ্গে ১০ দিনের মেয়াদে পাবেন ফ্রি ১০ গিগাবাইট ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ।
যেহেতু আমরা ফ্ল্যাশ মডেমের মাধ্যমেই টেলিটক ৩জি প্রথমে ব্যবহার করেছি, তাই আগে এই মডেম সম্পর্কেই কিছু বলে নেয়া ভালো। টেলিটক ৩জি ফ্ল্যাশ মডেমটির আসল প্রস্তুতকারক চাইনিজ প্রতিষ্ঠান জেডটিই। এটি মূলত একটি ইউএসবি প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে মডেম যা যে কোনো অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে। অবশ্য আমরা টেস্টিং-এর সময় লিনাক্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে পদ্ধতিতে সংযোগ দিতে পারিনি। তবে উইন্ডোজ এক্সপি সার্ভিস প্যাক ২ এবং উইন্ডোজ ৭-এ সরাসরিই ইন্সটল করা গেছে এই মডেমের সফটওয়্যার।
ম্যাক ব্যবহারকারীদের জন্য ওএস এক্স ১০.৪ বা এর পরবর্তী সংস্করণগুলো সাপোর্ট করবে বলে লেখা রয়েছে। মডেমের বক্সেই এ সংক্রান্ত তথ্য, ইউজার গাইড ও টেলিটক ফ্ল্যাশ মডেমের ওয়ারেন্টি কার্ড রয়েছে। কেনার সময় সেটা পূরণ করিয়ে নিতে ভুল করবেন না।

টেলিটক ৩জি ফ্ল্যাশ মডেম।
যারা ইতোমধ্যেই গ্রামীণফোন বা সিটিসেল জুম-এর কোনো মডেম ব্যবহার করেছেন, তাদের জন্য মডেম সফটওয়্যারের ইন্টারফেস বেশ চেনা-পরিচিতই মনে হবে। কেননা, এগুলো সবগুলোর কাজ প্রায় একই রকম। প্রথম স্ক্রিন থেকে ইন্টারনেটে কানেক্ট-ডিসকানেক্ট করা যায়, আপলোড ও ডাউনলোড স্পিড দেখা যায়, কল করা যায়, এসএমএস পাঠানো ও রিসিভ করা যায় ইত্যাদি।
এছাড়াও ফ্ল্যাশ মডেমে রয়েছে মাইক্রো-এসডি কার্ডের জন্য আলাদা পোর্ট। অর্থাৎ, আপনি এই মডেমে সিমের পাশাপাশি মাইক্রো-এসডি কার্ড মেমোরি ঢোকাতে পারবেন। ফলে, মূহুর্তেই আপনার মডেম হয়ে যাবে মেমোরি কার্ড রেডার। এছাড়াও স্থায়ীভাবে সবসময় মেমোরি কার্ড লাগিয়ে রাখলে পেন ড্রাইভ হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন এই মডেম। সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩২ গিগাবাইট পর্যন্ত ক্ষমতাসম্পন্ন মেমোরি কার্ড ঢোকাতে পারবেন এই মডেমে।
জেডটিই নির্মিত টেলিটক ফ্ল্যাশ মডেম সাপোর্ট করে HSUPA/HSDPA/WCDMA (সিটিসেল নয়)/EDGE/GPRS এবং জিএসএম নেটওয়ার্ক। এর মধ্যে টেলিটক ৩জি ব্যবহার করে এইচএসডিপিএ নেটওয়ার্ক। এই মডেমের ডাউনলোডের সর্বোচ্চ ক্ষমতা হচ্ছে ৫.৭৬ মেগাবিট পার সেকেন্ড আপলোড এবং ৭.২ মেগাবিট পার সেকেন্ড ডাউনলোড। বলা বাহুল্য, এই স্পিড কেবল ৩জি (ডব্লিউএসডিপিএ) নেটওয়ার্কে পাবেন।
কিন্তু এটা কেবল মডেমের ক্ষমতা। টেলিটক ৩জি অবশ্যই আপনাকে কখনোই এতো স্পিড দেবে না। তাই কেবল মডেমের ক্ষমতা শুনেই খুশি হওয়ার কিছু নেই। চলুন দেখা যাক কেমন স্পিড পাচ্ছি আমরা।
ভালো দিক

কানেকশন স্ক্রিনেই আপনি রিয়েল-টাইম আপলোড ও ডাউনলোড স্পিড দেখতে পাবেন।
টেলিটক ৩জি প্রথমে আমরা ব্যবহার করেছি বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্মার্টফোন এক্সপো ২০১৩ চলাকালীন সময়ে। সেখানে আমরা ফুল কাভারেজ পেয়েছি। সম্পূর্ণ ৩জি নেটওয়ার্কের আওতায় থাকায় ৫১২ কেবিপিএস থেকে ১ এমবিপিএস-এর মধ্যেই স্পিড ওঠানামা করেছে। ডাউনলোডের ক্ষেত্রেও আমরা স্থিতিশীল স্পিড পেয়েছি।
পরবর্তীতে ঢাকার অন্য কয়েকটি লোকেশনেও আমরা টেলিটক ৩জি ফ্ল্যাশ মডেমে ব্যবহার করেছি। যেসব জায়গায় টেলিটক ৩জি নেটওয়ার্ক রয়েছে, সেসব জায়গায় আমরা বেশ ভালো স্পিড পেয়েছি। এছাড়াও মোবাইলে পারফরম্যান্স কেমন থাকে তা পরীক্ষা করার জন্য আমরা ৩জি সুবিধা-সম্পন্ন ডিভাইস এক্সপেরিয়া মিনি প্রো-তে টেলিটক ৩জি সিম ব্যবহার করেছি। ফলাফল ছিল একই রকম। যতক্ষণ ৩জি নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা গেছে, ততক্ষণ বেশ সন্তোষজনক ছিল ডাউনলোড ও ব্রাউজিং স্পিড।

খারাপ দিক
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, টেলিটক ৩জি প্রাথমিকভাবে কেবল ঢাকায় চালু করা হলেও ঢাকার সবখানে আপনি এর নেটওয়ার্ক পাবেন না। এমনকি ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্কের মতোই অনেক সময় নিচতলায়ও নেটওয়ার্ক পেতে সমস্যা হয়। পরীক্ষা করার সময় আমার বাসায়ই দেখা গেছে এক রুমে নেটওয়ার্ক থাকছে কিন্তু অন্য রুমে নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে না। একবার ডিসকানেক্ট করলে আবার ৩জি নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না। এমনকি সম্প্রতি বারিধারা ডিওএইচএস-এও আমরা দেখেছি টেলিটক ৩জি’র নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে না।
প্রশ্ন হচ্ছে, যখন ৩জি নেটওয়ার্ক থাকে না, তখন কী হয়?

আগেই বলা হয়েছে, টেলিটক ৩জি ফ্ল্যাশ মডেম জিপিআরএস ও এজ নেটওয়ার্ক সাপোর্ট করে। আর তাই যখন ৩জি নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ২জি নেটওয়ার্কের এজ সংযোগ চালু হয়ে যায়। আর এজ সংযোগে সর্বোচ্চ ৩২ কিলোবাইট/সেকেন্ড পর্যন্ত গতি পেয়েছি আমরা, যদিও তা কনস্ট্যান্ট নয়। কারণ, এজ কানেকশন তখনই চালু হয়, যখন টেলিটক ঠিকমতো নেটওয়ার্ক পায় না। তাই এজ-এ কানেক্ট হলে স্পিড অতিরিক্ত ওঠানামা করে।

একই সমস্যা আমরা মোবাইলেও দেখেছি। অবশ্য এটা নতুন করে বলার কিছু নেই। যেখানে নেটওয়ার্ক সমস্যা করবে, সেখানে মোবাইল কি আর ফ্ল্যাশ মডেমই কি, ডেটা স্পিড থাকবে না। আর এটা সত্যিই খুব হতাশাজনক।
টেলিটক ৩জি নিবো নাকি না?
আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন, টেলিটক ৩জি চালু হওয়ার কিছুদিন পর ২জি নেটওয়ার্কে বিশাল সমস্যার সৃষ্টি হয়। কয়েকটি জেলার টেলিটক ব্যবহারকারীরা সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক থেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। সংবাদপত্রে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, গ্রাহককে “বাঁধ ভাঙতে” বলে টেলিটক নিজেদের নেটওয়ার্কই ভেঙে ফেলেছে। এই নিয়ে সমালোচনায় পড়লেও টেলিটক দ্রুত সমস্যা দূর করতে সক্ষম হয়েছে।
এছাড়াও টেলিটকের নেটওয়ার্ক নিয়ে অনেক গ্রাহকেরই অভিযোগ শোনা যায়। অনেকটা একই অবস্থা টেলিটক ৩জি’র ক্ষেত্রেও। দেখা যাবে, আপনি এক জায়গায় প্রচুর গতি পাবেন, কিন্তু আরেক জায়গায় কোনো নেটওয়ার্কই পাবেন না, যদিও তা ঢাকারই কোনো ব্যস্ত এলাকা হয়। কোথায় কখন নেটওয়ার্ক থাকবে তা বলা মুশকিল। এমনকি আমি ব্যবহারের সময় একই স্থানে একেক সময় নেটওয়ার্ক নিয়ে সমস্যায় পড়েছি।
তাই অ্যান্ড্রয়েড কথনের পরামর্শ হচ্ছে, এখনই টেলিটক ৩জি নিতে পারেন ব্যাকআপ সংযোগ হিসেবে। অর্থাৎ, কোনো কারণে আপনার মূল ইন্টারনেট সংযোগ (ব্রডব্যান্ড, ওয়াইম্যাক্স, ইত্যাদি) কাজ না করলে টেলিটক ৩জি ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি আপনি অনেক যাতায়াত করেন, তাহলেও টেলিটক ৩জি ব্যবহার করতে পারেন। এক জায়গায় না এক জায়গায় হয়তো নেটওয়ার্ক পেয়েই যাবেন।
তবে হ্যাঁ, যদি আপনি যেখানে থাকেন (বাসা বা অফিস) সেখানে টেলিটক ৩জির ফুল নেটওয়ার্ক থাকে, তাহলে হয়তো আপনি টেলিটক ৩জি নেয়ার কথা ভাবতে পারেন। অন্যান্য ইন্টারনেট সংযোগের তুলনায় মোটামুটি সাশ্রয়ীই বলা চলে টেলিটক ৩জি প্যাকেজ প্ল্যান। তবে যদি নেটওয়ার্ক না থাকে, তাহলে হয়তো এখনই টেলিটক ৩জি প্রাথমিক ইন্টারনেট সংযোগ হিসেবে নেয়ার আগে দ্বিতীয়বার ভেবে দেখতে পারেন। আগে থেকেই নেটওয়ার্ক সঙ্কটে থাকা টেলিটক ৩জি নেটওয়ার্কও সবখানে পৌঁছাতে পারেনি এখনই।
সপ্তাহখানেক ব্যবহারের অভিজ্ঞতা শেষে আমাকে যদি কিনতে হতো তাহলে আমি হয়তো টেলিটক ৩জি কিনতাম না। সৌজন্য হিসেবে পেয়েছি সেই হিসেবে ঠিক আছে। অথবা কেউ সেকেন্ড হ্যান্ড বিক্রি করলেও কেনার কথা ভাবতে পারেন। তবে আপনার বাসায় যদি ফুল নেটওয়ার্ক থাকে, তাহলে কেবল বাসায় ব্যবহারের জন্য টেলিটক ৩জি একেবারেই খারাপ হবে না।
শেষ কথা
টেলিটক ৩জি নিঃসন্দেহে ভালো সেবা দিচ্ছে। যেটুকু সমস্যার কথা আমরা বলেছি সেটা নেটওয়ার্ক না থাকার কারণে উদ্ভূত। আশা করছি শিগগিরই টেলিটকের নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। অবশ্য আগামী জুনে যদি ৩জি নেটওয়ার্কের নিলাম হয় ও গ্রামীণফোনের মতো অন্যান্য অপারেটররা ৩জি সেবা চালু করে, তাহলে হয়তো টেলিটকের যাত্রা সেখানেই থেমে যাবে। দেখা যাক, ভবিষ্যতে আমাদের জন্য কী অপেক্ষা করছে।
টেলিটক ৩জি ইন্টারনেট সম্পর্কে আপনার কী মত?


কিনেছি একটা ১৫ দিন আগে। সার্ভিস সন্তোসজনক।
ঢাকার বাইরে যারা আছি তাদের চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া করার কিছু নেই। স্পিডটেস্টের সাথে পিংটেস্ট ও করতে পারেন 🙂
অ্যান্ড্রয়েডের স্ক্রিনশটে mobile – EDGE – speed দেখাচ্ছে ওটা কোন অ্যাপ দিয়ে ?
পিং টেস্ট করেছিলাম। ~৬০০ থাকে ইউএস সার্ভারে দিলে। আর এই অ্যাপের নাম Network Speed.
আপনি ঢাকার বাইরে জানতাম না। :/
রাজশাহীতে থাকি 😛
পিং এতো বেশি ক্যান ? :-/ EDGE এই তো এরচেয়ে কম থাকে
কোন package দিয়ে চেক করেছেন?
আমি তো বেশ ভালই চালাছি,স্পিড পাচ্ছি দারুন,আমার কাছে ভালই লেগেছে
আমি টেলিটক 3G প্রায় ১ মাস যাবত ব্যাবহার করছি যদিও, ওদের মডেম মাত্র ক-দিন হল নিলাম আর আমার বাসায় মাত্র ২ দাগ 3G নেটওয়ার্ক থাকে। ১২৮ কেবিপিএস আনলিমিটেড প্যকেজে ৬০-৭০ কেবিপিএস ডাউনলোড স্পিড পাচ্ছি। আমি ওদের সার্ভিসে সন্তুষ্ট।
Oder Fair Usage Policy somondhey ki apnar kono dharona ache? Kivabe ora ata apply kore? Apni Fair Usage Policy te ki porechen ekbar o?
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি ৩০ জিবি পর্যন্ত আর ৩০ জিবি লিমিট ক্রস করলে বোধহয় ৩ ভাগের এ ১ ভাগ স্পিড দেয়
৩০ জিবি (এফ ইউ পি লিমিট) পার হয়ে গেলে ডাটা কানেকশন ব্লক করে দেয় (অন্ততপক্ষে করার চেস্টা করে), হ্যান্ডসেট স্ট্যাটাসে দেখবেন ডাটা কানেক্টিভিটি আইকন শুধু যায় আর আসে!
ভাইয়া আপনার রিভিউটা অসাধারণ হয়েছে .. আমি একটু যোগ করতেছি .. ভাইয়া কারো কাছে যদি এই গ্রামীণ ফোন (ছবি নিচে দেয়া হয়েছে) এর মডেমটা থাকে তাহলে তাকে টেলিটকের ফ্লাশ মডেম কিনতে হবে না কারণ এটা 3G মডেম .. কারণ এই মডেম বক্সে লেখা আছে EDGE তে সবুজ বাতি আর WCDMA/HDSPA তে নীল বাতি ব্লিংক করবে .. আর আমি TELETALK 3G সিম ব্যবহার করেছি ১০০% গ্যারান্টি মডেম 3G কাজ করে .. আমি অবশ্য প্রিপেইড প্যাকেজ ব্যবহার করেছি দোতালা/তিন তলা বাসায় বসে .. স্পীড খুবই ভালো যখন 3G থাকে .. তবে EDGE হলেও একদম খারাপ আসে না ভালই কাজ করেছে .. ধন্যবাদ ভাইয়া
নতুন তথ্য যোগ করার জন্য ধন্যবাদ। 🙂
Ow…………. apnar post ti poray amr kub valo laglo.. 🙂 But viya 3G Sim ki alada sell hossay? r price ta koto/
আলাদা ৩জি সিমের দাম ৯০০ টাকা সম্ভবত।
বস .. আমি একটা ইনফো দিয়েছিলাম কোন সংবাদ পেলাম না বস .. আমি অবশ্য ওদেরকে কল করেছিলাম ওরা বললো কোথায় যেন ছুটি চলতেছে সুতরাং ওদের সেট নাকি এই মাসের শেষভাগে আসতে পারে সেটাও ব্যাপার না কিন্তু আসলে সেটটির সম্পর্কে জানা দরাকার ছিলো ন হলে অন্য কিছু কিনতাম ..
চীনেই কী যেন একটা উৎসব চলছে যে কারণে সব আন্তর্জাতিক ডেলিভারিগুলো delayed হচ্ছে। আমরা অন্য একটা সূত্র থেকে জানতে পেরেছি। কাজেই বাংলাদেশে চীন থেকে আমদানী করে যারা ডিভাইস বিক্রি করে সবাইকেই এই মাসটা সঙ্কটে কাটাতে হবে।
মামুন ভাই অবশ্যই আপনি 3G সিম আলাদা কিনতে পারবেন সেটির দাম পড়বে ৯০০ টাকা তবে এটা সম্ভবত পোষ্টপেইড . প্রিপেইড এর দাম আমি জানি না তবে আপনার কোন পুরনো সিম থাকলে ১০০ টাকা দিয়ে ১২৮ K সিম নিয়ে নিন তারপর 3G সেন্ড করুন 666 নম্বরে কিন্তু ৫০০ টাকা রির্চাজ করে নিবেন ৭২ ঘন্টা সময় নিবে আর আপনাকে জানিয়ে দিবে 3G হলে সাথে কিছু ডাটা আর ভিডিও কল সেকেন্ড ফ্রি পাবেন ..
মডেমটা এখনও ব্যবহার করা হয়নি; তবে ব্যবহারকারীর মন্তব্য পড়ে রিভিউটাকে একটু নেতিবাচক মনে হচ্ছে কি?
সবকিছুরই ভালো-খারাপ দিক থাকে। রিভিউতে আমরা দু’টো দিকই তুলে ধরেছি। যারা মন্তব্য করছেন তারা সবাই ভালো সার্ভিস পাচ্ছেন। আবার খারাপ সার্ভিস পাচ্ছেন এমন কেউ পড়লে তারাও সেই মন্তব্য করবেন। কোনো রিভিউর সঙ্গেই সবাই একমত হতে পারবে না। 🙂
3জি চালানোর মত এখনো হয় নি। যদি ঘরের মধ্যে বসেই নেট চালাইতে হয় তাইলে ব্রডব্যান্ড ই ভালো।
Could you plz describe about their Unlimited packages?
Is it true unlimited or there is a Fair Usage Policy?
If there’s one, could you plz explain how do they apply it?
Whether I’ll buy, depends on this main factor.
Thnx, & awesome review..!
মন্তব্য বাংলায় করার অনুরোধ থাকলো।
আমি যতদূর জানি, ফেয়ার ইউসেজ পলিসি ২৪ গিগাবাইট ডাউনলোড পর প্রযোজ্য হয় যখন স্পিড কমিয়ে দেয়া হয়। তবে পরিষ্কারভাবে কিছু বলতে পারছি না।
এটা তো USB modem. এটা দিয়ে কি Wifi এর সুবিধা পাবো?
ম্যাক্সপ্রো নামে নতুন মডেলের একটি ট্যাবলেট কম্পিউটার বাজারে এনেছে
ম্যাক্সিস মোবাইল ফোন লিমিটেড। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় এক
অনুষ্ঠানে নতুন এ ট্যাবলেট কম্পিউটার অবমুক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত
ছিলেন ম্যাক্সিস মোবাইল ফোন লিমিটেডের চেয়ারম্যান নুরুননবী ও ব্যবস্থাপনা
পরিচালক এম ওহাব খান। অনুষ্ঠানে ওহাব খান নতুন এ ট্যাবের বিস্তারিত
উপস্থাপন করতে গিয়ে বলেন, ‘দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এখন অনেকটাই
প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের জন্য প্রয়োজন হচ্ছে
সাশ্রয়ী দামে ভালো মানের প্রযুক্তিপণ্য। প্রায় এক বছরের বেশি সময় গবেষণার
পর এ ট্যাবলেট কম্পিউটারটি বাজারে আনা হয়েছে। আশা করি, শিক্ষার্থী ও
মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকজন এ ট্যাব থেকে উপকৃত হবে।’
গরিলা গ্লাসের পর্দার এই ট্যাবে আছে সাত ইঞ্চির পর্দা। এর অপারেটিং সিস্টেম
অ্যানড্রয়েড ৪.০.৪ আইক্রিম স্যান্ডউইচ। এতে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন
সংযোগ ব্যবহার করা যাবে। আরও আছে ই-ডিকশনারি সুবিধা। বাজারে এর দাম ছয়
হাজার ৫০০ টাকা।
সজীব ভাই
হ্যান্ডস-অন রিভিউ প্রয়োজন ।
পোস্টটি দেখেছেন তো? প্রাসঙ্গিক কমেন্ট বাঞ্ছনীয়
হ্যান্ডস-অন রিভিউয়ের জন্য আমাদের হাতে ডিভাইস থাকা লাগে, যেটা এই মুহূর্তে আমাদের নেই। বিশেষ করে কোম্পানিগুলোও আমাদের সহযোগিতা করে না বিধায় আমাদের খোঁজ রাখতে হয় পরিচিত কারও এসব ডিভাইস আছে কি না। কেবল তা হলেই আমরা হ্যান্ডস-অন রিভিউ করতে পারি।
Appreciate for your feedback; it will help us for decision making.Can you provide us feedback for galaxy note 10.1
ভাই নেট এর প্রসার কোনো মুখের কথা নয়। এতে অবশ্যই সময় লাগবে তবে আশার কথা হচ্ছে টেলিটক এই বেপারে যথেস্ট আগ্রহী এবং আমার বাসার পাশের বিল্ডিং এ একটি টাওয়ার এর কাজ ১মাসের কম সময় এর ভিতর এই হয়ে গেছে বর্তমানে আমি আমার বাসায় ফুল কভারেজ পাচ্ছি উল্লেখ্য আমি ২য় তালায় থাকি
৪০ জিবি পর্যন্ত দিবে ডাঊনলোড আনলিমিটেডে। তারপর কানেকশন অটো বন্ধ হয়ে যাবে। আবার প্যাকেজ কিনে িইউস করতে হবে। যা শুনে ভালো লাগেনি। তবে কিউবি/বা্ংলালায়নের(চোর) ফেয়ার ইউসেজ পলিসি থেকে ভালো মনে হয়েছে। ওদের ডাটা ইউসেজ ভুতুরে দেখায় বা খুব জলদি ফুরিয়ে যায় (প্রমানিত)!!! এই হিসেবে টেলিটক বেশ ভালোই সেবা দিচ্ছে।
ভাই কিউবি চোর তা ঠিক বলেছেন , কিন্তু বাংলালায়ন কে কোন দিক দিয়ে চোর বললেন আমি ঠিক বুজলাম না, একমাত্র বাংলালায়নই হল যে আনলিমিটেড প্যাকেজে পুরো আনলিমিটেড ডাউনলোড করার সুবিধা দেয় । যদিও রাত ১০টা থেকে ভোর৪টা পর্যন্ত FUP রয়েছে ।
“”ওদের ডাটা ইউসেজ ভুতুরে দেখায় বা খুব জলদি ফুরিয়ে যায় (প্রমানিত)!!!”” , আপনি আরেকটি ভুল কথা বলেছেন , আপনার উইন্ডসে যদি অটো আপডেট অন থাকে , সফটওয়্যার অটো আপডেট অন করা থাকে অর্থাৎ ওথরাইজ করা থাকে বা পিসিতে মডেম কানেক্ট করে রেখে ব্রাউস না করেন তবে কিউবি বা বাংলালায়ন কেন?? যে কোন ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করলেই আপনি এমন সমস্যা অনুভব করবেন । তবে এটা সত্য বাই ডিফল্ট উইন্ডোজ ৮ এ অন্যান্য ওস থেকে বেশি ডেটা খরচ হয়, তবে একটা বিশেষ পক্রিয়া অবমম্বন করে এটা রোধ করা সম্ভব ।
আমার কথা পড়ে আপনার হয়ত মনে হতে পারে যে আমি বাংলালায়নের দালাল বা অন্যকিছু , কিন্তু আমি তা মোটেও নই , ২০১১ থেকে বাংলালায়ন নিয়মিত ব্যবহার করে আসছি (প্রতি মাসে ইউসেজ প্রায় ৬০ জিবি +++ ) ,আর যাই বলেন ওয়াইমাক্স আমার কাছে বেস্ট ,তাছাড়া নেটওয়ার্ক , ওদের সার্ভিস ,মান্থলি সাবক্রিপশন ফি সব কিছুতেই অনন্য । এমনকি টেলিটক থেকেও । তাই আপনার ওয়াইমাক্সের সার্ভিস সম্পর্কে ভুল ধরনা ভাঙ্গার জন্য এই কমেন্টটি করা ।
Very good speed. keep it up
I am using Teletalk 3G SIM at Symphony Explorer W50 for the last two months. Service is excellent.
aami 3g sim kinte chai. problem holo je aami akhono national id card pai ni. akhon amake ki korte hobe?
পরিবারের কারো কার্ড দিয়ে কিনুন।
i have a modem”vodafone Qualcomm 3G WCDMA”…also a new teletalk 3G sim…but network showed EDGE instead of UMTS/HSPA!!!…any advice?
হয় আপনার এলাকায় ৩জি নেটওয়ার্ক পাচ্ছে না, অথবা সেটিংস-এ কেবল এজ সিলেক্ট করা আছে।
৩জি নেটওয়ার্ক আছে …কিন্তু মডেম সেটিং এ ৩জি /ইডিজিই সেটিং বলে কোন অপশন নাই .. অটো নেটওয়ার্ক সিলেক্ট করে।
খুব ভালো লাগলো লেখাটি পরে। আমিও ভাবছি টেলিটক নিয়ে নিবো। গ্রামীনফোনের সেকেন্ড হ্যান্ড মডেম খুঁজছি।
যেহেতু টেলিটক নিয়ে মানুষের আগের থেকেই ধারনা আছে, সেহেতু এবার আর আগের থেকে উপচে পড়া সেই ভীড় দেখা যায়নি ত্রীজির জন্য! এমনকি এখনো এতোদিন পর ও অনেকে আসলেই জানেননা যে টেলিটক ত্রীজি কেমন সার্ভিস দেয়!
হয়তো আমিও ওদলেই থাকতাম। কিন্তু ৫০০ টাকায় পুরানো সিম কে ত্রীজি করার সুবিধা দেখে করেই ফেললাম, তারপর আর কোনো পিছনে ফিরি নাই স্পীড এর ব্যপারে। স্পীড চমৎকার (যেখানে ত্রীজি নেট পাওয়া যায়)।
এই লিংক-এ আমার পাওয়া স্পীড দেখুন, তবে সাধারনতই স্পীড এর থেকে বেশিই থাকে!
http://speedtest.net/result/2588919816.png
সমস্যাঃ
কিছু কিছু স্থানে ঠিক মতো নেটওয়ার্ক পায়না। বিশেষ করে বড় বিল্ডিং এর ভিতর। আমি যা দেখেছি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিতরে আমি ঠিক মতো নেট ওয়ার্ক পাই না, অথচ, বাইরের দিকে বা জানালার কাছাকাছি আসলেই পুরা স্পীড!
মূল রিভিউতে সেটাই বলা হয়েছে। যদি নেটওয়ার্ক থাকে, তাহলে আসলেই সন্তোষজনক স্পিড পাওয়া যায়। কিন্তু বেশির ভাগ জায়গাতেই, এমনকি ঢাকাতেও টেলিটকের ৩জি নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না।
vaia Q Flash modem ki android tablet pc te support korbe?pls janaben onek problem e achi
kub valo post
ভাইয়ারা, আমি একটা সাহায্য চাচ্ছিলাম। আমি টেলিটকের বর্ণমালা সিম থেকে ৩জি নেট ইউজ করতে চাচ্ছি। এখন কোন মডেমটা কিনলে বেশি ভালো হবে? গ্রামীনের ৩জি মডেম নাকি টেলিটকের কিউ ফ্ল্যাশ ৩জি মডেমটা? আর এখনকার জিপি মডেম কি টেলিটক সিম সাপোর্ট করবে? সৎ পরামর্শ পেলে খুব উপকৃত হতাম। ধন্যবাদ। এখানে উল্লেখ্য, আমার বাসায় টেলিটকের খুব ভালো নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়।
Feel free to buy the Teletalk model if you plan on using Teletalk SIM anyway.