ওয়্যারলেস চার্জার অনেকের জন্যই বহুল প্রতীক্ষিত বস্তু। একসময় সবকিছুর সঙ্গে তার ছিল, এখন আমাদের মোবাইল থেকে শুরু করে ল্যাপটপ, মাউস, কিবোর্ড ইত্যাদি অনেক কিছু থেকেই তার “অব্যাহতি” নিয়েছে। আমি নিজেও ল্যাপটপে ওয়্যারলেস কিবোর্ড ও মাউস ব্যবহার করি। কিন্তু তবুও বিরক্ত লাগে চার্জার/অ্যাডাপটার নিয়ে বেড়াতে হয় বলে। ফোনের ক্ষেত্রেও যদি আপনি চার্জার নিয়ে বিরক্তি বোধ করেন, তাহলে আপনার জন্যই গুগল এনেছে ওয়্যারলেস ডক চার্জার।
তবে মজার বিষয় হলো, এই ওয়্যারলেস চার্জার শুনতে যতোটা স্মার্ট, কাজে ততোটা নয়।
ওয়্যারলেস চার্জার বলতে আমি ব্যক্তিগতভাবে যেটা আশা করি সেটা হলো ফোন আমার পকেটেই থাকবে বা হাতে থাকবে আর তা চার্জ হতে থাকবে। কিন্তু নেক্সাস ৪-এর জন্য তৈরি ওয়্যারলেস চার্জার মোটেই তেমনভাবে কাজ করে না। বরং, “ওয়্যার্ড” এই চার্জারের উপর আপনাকে আপনার নেক্সাস ৪ ডিভাইস রাখতে হবে। এতেই ডিভাইসটি চার্জ হওয়া শুরু করবে। অর্থাৎ, আগের মতোই আপনাকে চার্জের জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে দিতে হবে। পার্থক্যটা হলো, কোনো চার্জার পয়েন্ট ফোনে ঢোকানো লাগবে না।

নেক্সাস ৪ ওয়্যারলেস চার্জারটি গুগল প্লে স্টোরে বিক্রি হচ্ছে ৫৯ ডলারে। টেনিস বলের চেয়ে একটু ছোট অনেকটা নেক্সাস কিউ-এর মতো দেখতে এই ওয়্যারলেস চার্জারের উপর নেক্সাস ৪ রেখে দিলেই চার্জ হতে শুরু করবে। গুগল জানিয়েছে, নেক্সাস ৪ শূন্য ব্যাটারি থেকে ফুল চার্জ হতে প্রায় ৪ ঘণ্টা সময় নেবে এই ওয়্যারলেস চার্জারে।
আপাতত কেবল নেক্সাস ৪ চার্জ করার জন্যই এই ওয়্যারলেস চার্জার ব্যবহার করা যাবে যেটি আমার মতে পুরোপুরি ওয়্যারলেস না আসলে। পাঠকের কী মত? আসলেই কি একে ওয়্যারলেস চার্জার বলা চলে?

naa
ওয়্যারলেস ই, কিন্তু রেঞ্জ টা খুবই কম। ওয়্যারলেস রেঞ্জ টা বাড়াতে আরো সময় নিবে এই আর কি।
আমার ওয়্যারলেস মনে হয় না। তাহলে নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে কেন।
না এটাকে কোন ভাবেই ওয়্যারলেস চার্জার বলা যাবে না .. কেবলও আছে পকেটে নেয়া যাবে না .. আর সব থেকে খারাপ দিক নেক্সাস ৪ ছাড়া অন্য কোন ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে না .. কিনুম না এটা .. 🙂
পকেটে রেখেই যেদিন চার্জ করা যাবে সেদিন সেটাকে ওয়্যারলেস চার্জার বলা যেতে পারে।
সব থেকে ভালো হয় যদি আমাদের শরীরের তাপমাত্রায় চার্জ হয়ে যেতো তো .. তাহলে পকেটে রেখে দিলাম চার্জ হয়ে যেতো .. 🙂