
গুগল প্লে স্টোর হচ্ছে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত ফোন ও ট্যাবলেট ডিভাইসের জন্য অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোডের অফিসিয়াল স্টোর। এখান থেকেই সরাসরি মোবাইলে অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করা যায়। একটু ট্রিক খাটিয়ে পিসিতেও প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ্লিকেশন ফাইল ডাউনলোড করা যায়। কিন্তু প্লে স্টোর ছাড়াও আরও অনেক জায়গা থেকেই অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করার সুবিধা রয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে স্বাভাবিক অবস্থায়ই, অর্থাৎ, কোনো রুট না করেই পিসিতে ডাউনলোড করা অ্যাপ্লিকেশন বা গেম ফাইল চালানোর সুবিধা রয়েছে। কিন্তু এভাবে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা কতোটা নিরাপদ?
সম্প্রতি এনসি স্টেট ইউনিভার্সিটির একদল মোবাইল সিকিউরিটি বিষয়ক গবেষক গুগলের জনপ্রিয় অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের জিঞ্জারব্রেড, আইসক্রিম স্যান্ডউইচ ও জেলি বিন সবগুলো সংস্করণেই ত্রুটি খুঁজে পেয়েছেন। এসএমএস বার্তা সংক্রান্ত এই ত্রুটির বাস্তবতা গুগল নিজেও স্বীকার করেছে এবং কোনো এক আপডেটের মাধ্যমে এই ত্রুটি দূর করার কথা বলেছে।
কিন্তু আসলে কী আছে এই ত্রুটিতে?
মূলত এসএমএস ফিশিং বলা এই ত্রুটির মাধ্যমে একটি বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন আপনার ডিভাইসে ইন্সটল হয়ে গেলে হ্যাকাররা আপনার ফোনবুকে থাকা যে কোনো কন্টাক্টসের নাম ব্যবহার করে ফেক এসএমএস পাঠাতে পারে। যেমন ধরুন, কোনো একদিন হঠাৎই আপনার বিশ্বস্ত কারো নামে এসএমএস বার্তা পাবেন আপনি। সবকিছু এতোটাই বাস্তব লাগবে যে, আপনি বুঝতেই পারবেন না এসএমএসটি আসলে হ্যাকারদের পাঠানো। এভাবে প্রতারিত হয়ে পাসওয়ার্ড ও নানা ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিজের অজান্তেই হ্যাকারদের দিয়ে দিতে পারেন আপনি।
খুশির খবর হচ্ছে, অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সতর্কতা অবলম্বন করলেই আপনার ডিভাইস ক্ষতিগ্রস্থ হবে না। অ্যান্ড্রয়েডে অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটল করার সময় প্রতিবারই আপনাকে জিজ্ঞেস করে নেবে। আন্দাজে ইন্সটল বাটনে না চেপে খুব সতর্কতার সঙ্গে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করুন, বিশেষ করে যদি আপনার প্লে স্টোর ছাড়া অন্য কোনো স্থান থেকে অ্যাপ্লিকেশন বা গেমস ডাউনলোডের অভ্যাস থাকে। আর কোনো এসএমএস বার্তা সন্দেহজনক মনে হলে সঙ্গে সঙ্গে প্রেরকের নম্বরে ফোন করুন এবং নিশ্চিত হয়ে নিন এসএমএসটি তিনি আসলেই পাঠিয়েছেন কি না।
আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে আপনি কি প্লে স্টোর ব্যতীত অন্যখান থেকে অ্যাপ্লিকেশন ও গেমস ডাউনলোড করেন?

গুগল প্লে প্রায়ই সমস্যা করে, তাই আমি প্রায়ই গুগল সার্চ দিয়ে APK ফাইল খুঁজে ডাউনলোড করি। তাছাড়া পেইড অ্যাপসের জন্য তো এর বিকল্পও নাই। অ্যান্টিভাইরাস থাকলেও কি এ সমস্যা এড়ানো যাবে না? আমি Dr. Web Light (ফ্রি ভার্শন) ব্যবহার করি।
There is no need for Antivirus for Android.
Antivirus can’t detect Maleware/Spyware and Android OS Sandbox can Protect you device Fully.
Maleware/Spyware can Attack your device only if you download Apps and Games from non-official Blog, site, Forum etc.
“Android can protect your System form Virsus but not from your own mistake”
আমারও তাই ধারণা ছিল।
তাহলে কাসপারস্কাই, অ্যাভাস্ট, ইসেট সহ নামি দামি এতো এতো অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপস প্লে স্টোরে আছে কেন?
এটা যদি সত্য হয়ই, পেইড অ্যাপসগুলো মাগনা ব্যবহারের নিরাপদ উপায়ই বা কি? 😛
পেইড অ্যাপসের জন্য এপিকে ছাড়া গতি নাই। ফ্রী অ্যাপসের জন্য প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করে লাকি প্যাচার দিয়ে অ্যাড রিমুভ করে ব্যবহার করি।
লাকি প্যাচার এর লিংকটা দেন দয়া করে। না পারলে অন্তত ইংরেজি বানানটা জানান।
ভাই আমি Sony Ericsson live with walkman ব্যাবহার করি,কিন্তু ওয়াইফাই নেটওয়র্ক ছারা আমি প্লে স্টোর ব্যাবহার করতে পারিনা (আমার মোবাইলের ইন্টারনেট কনফিগারেশান ঠিক আছে) এ সমস্যা কিভাবে সমাধান করাযাবে ?
দেশে ইউটিউব ব্লক করা বলে প্লে স্টোরে ঢুকতে পারছেন না। এটি কনফিগারেশন বা ডিভাইসের কোনো সমস্যা নয়।
শুধু প্লে স্টোর না কেন আ্যপস্ ই ব্যাবহার করা যায় না অথচ ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক দিয়ে সব আ্যপস্ ব্যাবহার করা যাচ্ছে।