
স্যামসাং-এর গ্যালাক্সি সিরিজের স্মার্টফোন বাজারে আসার পর খুব একটা ভালো সময় কাটেনি এইচটিসির। গত কয়েকমাসেও আয়ের পরিমান সন্তোষজনক ছিল না। কিন্তু এইচটিসি ওয়ান এক্স ছিল অ্যান্ড্রয়েড বাজারে এইচটিসির টার্নিং পয়েন্ট। এই সেট দিয়েই এইচটিসি বুঝে গেছে ক্রেতাদের চাহিদা। আর তাই এরপর থেকে একের পর এক দারুণ সব কনফিগারেশন ও ডিজাইনের স্মার্টফোন বাজারে এনে যাচ্ছে এইচটিসি।
সম্প্রতি নতুন কিছু স্মার্টফোনের কথা জানিয়েছে এইচটিসি। তার মধ্যে আমাদের নজর কেড়েছে এইচটিসি ডিজায়ার এসভি। এই ফোনের ৪.৩ ইঞ্চি স্ক্রিনে ব্যবহৃত হয়েছে সুপার এলসিডি ২ প্রযুক্তি, সেই একই প্রযুক্তি যা ব্যবহৃত হয়েছে বিখ্যাত ওয়ান এক্স হ্যান্ডসেটে। 800 x 480 পিক্সেল রেজুলেশনের এই ফোনটি এই বছরের শেষের দিকেই ভারতের বাজারে পাওয়া যাবে বলে সূত্র জানিয়েছে।
ডিজায়ার এসভিতে রয়েছে ১ গিগাহার্জ কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন এস ৪ প্রসেসর, ৭৬৮ মেগাবাইট র্যাম এবং ৪ গিগাবাইট বিল্ট-ইন মেমোরি রয়েছে। এক্সটার্নাল মেমোরি কার্ডের স্লট থাকায় আপনি চাইলেই বাড়াতে পারবেন এর মেমোরি স্পেস। তবে অ্যান্ড্রয়েডের কোন সংস্করণ ব্যবহৃত হয়েছে সে ব্যাপারে কোনো তথ্য জানা যায়নি। আইসক্রিম স্যান্ডউইচ ব্যবহারেরই সম্ভাবনা বেশি, যদিই জেলি বিন কিংবা জেলি বিন ৪.২ দিলেও খুব একটা অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
পেছনে ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা দেয়া হলেও এটি দিয়ে এইচডি ভিডিও রেকর্ড করা যায় না। তবে মিউজিক সিস্টেমকে চমৎকার করে তুলতে বিটস অডিও প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। আছে ব্লুটুথ ৪.০, জিপিএস, ওয়াই-ফাই ও 1,620 mAh ব্যাটারি। সাধারণত হাই-এন্ড স্মার্টফোনে ডুয়েল সিম সুবিধা পাওয়া যায় না। কিন্তু এইচটিসির এই স্মার্টফোনে আপনি দু’টি সিম একসঙ্গে ব্যবহার করতে পারবেন। মূলত এশিয়ার দেশগুলোতেই দু’টি সিম ব্যবহারের প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যায়। আর ডিজায়ার এসভি এশিয়ার বাজারের জন্যই বিশেষভাবে তৈরি করেছে এইচটিসি, যার ফলে এশিয়ার বাজারেই ডিভাইসটি আগে মুক্তি পাবে।
ডিজায়ার এসভি’র সিম আনলক সংস্করণটির দাম বর্তমানে 22,590 ভারতীয় রুপি বলে জানা গেছে। বাংলাদেশি টাকায় এর দাম প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার টাকার মতো পড়ে। যদিও বাংলাদেশে সরাসরি এইচটিসি কোনো সেট বিক্রি করে না, তবুও আগামী বছরের প্রথম মাসেই এই সেটটি দেশের বাজারে প্রবেশ করবে বলে আশা করা যায়। সেক্ষেত্রে অবশ্য ক্রেতাদের দাম একটু বেশিই দিতে হবে।
এইচটিসি ডিজায়ার এসভি কি পছন্দ হয়েছে? সর্বোচ্চ কত টাকা দামে হলে এইচটিসির এই নতুন ফোনটি কিনতে রাজী আছেন?



font camera nai, ocholllllllllll
আয়না লাগবে। 😉
ha ha
dekhte onek attractive , slim , jani na front camera ache kina .anyway HD video na hoy sacrifice korlam , ato dam hole ki kore kinbe ?? tao ram matro 768mb !! Gorilla Glass / Super AMOLED display o na diyeche ki super LCD screen . zai hok , sorboccho 24000 taka ami dite parbo .
ফ্রন্ট ক্যামেরা নেই। 🙁 দেখতে আসলেই জোস। কিন্তু এই দামের সঙ্গে ঠিক মিললো না। আর সুপার এলসিডি ২ স্ক্রিন মোটেই খারাপ কিছু না কিন্তু! ওয়ান এক্স-এ ব্যবহৃত হয়েছে এই স্ক্রিন। ওয়ান এক্স কী রকম জনপ্রিয় জানেন নিশ্চয়ই?
hmm , jani bt HTC One X is much better than Desire SV , o ta IPS Display ata te ota missing, NFC – nai , OS -o upgrate kora zay na 🙁
hmm , jani bt HTC One X is much better than Desire SV , o ta IPS Display ata te ota missing, NFC – nai , OS -o upgrate kora zay na 🙁
vua phone… ami kinbo na…
দামের তুলনায় আসলেই সুবিধার না।
দামের তুলনায় পুরা ভুয়া মোবাইল এইটা। :
দামটা কম হলেই ভুয়া থেকে বস হয়ে যেত। 🙁
৩৪ হাজার টাকা দিয়ে এটা কেন কিনতে যাব। নেক্সাস এস কি দোষ করল?!
নেক্সাস ৪-এর দাম কত হয় দেখা যাক।
htc re mango people Chinese set mone kore! ajib duniya!
jai hok, sony ericson-samsung thakte htc mone hoy na ai deshe shubidha korte parbe…
একটা ভাল সেট কে ফালতু বানায়ে দেওয়ার জন্য ডুয়াল সীম ফাংশনটাই যথেষ্ট । যেমন গ্যলাক্সি ওয়াই ডুয়োস , নোকিয়া এক্স ২ ।মিড বাজেটের দামের মধ্য রেখে সেটটা সিংগেল সীম হলেই ভাল হত । অবশ্য এইচটিসি বাংলাদেশের কথা ভেবে কখনই সেট বানাই না ।
ডুয়েল সিম সুবিধাটা কিন্তু কাজের!