![]()
অবশেষে ঠিক তাই ঘটলো। আদালতের নির্দেশ যে অমান্য করার সুযোগ নেই। একবার আপিল করা যেত। কিন্তু আপিল করে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি অ্যাপল। তাই আদালতের নির্দেশ মাথা পেতে নিয়ে অ্যাপল তাদের সাইটে এই মর্মে নোটিশ টাঙিয়েছে যে, স্যামসাং তাদের অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেটে অ্যাপলের কোনো ডিজাইন নকল করেনি।
এর আগে গত ১৮ই অক্টোবর যুক্তরাজ্যের এক আদালত অ্যাপলকে তাদের ওয়েবসাইটে এবং নির্দিষ্ট কিছু পত্রিকায় বিজ্ঞাপন আকারে স্যামসাং তাদের ডিজাইন নকল করেনি বলে ঘোষণা দেয়ার নির্দেশ দেয়। প্রথমে অ্যাপল ইউরোপজুড়ে স্যামসাং-এর নির্দিষ্ট কিছু অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেট বিক্রি বন্ধের দাবি করে আদালতের স্মরণাপন্ন হয়। কিন্তু আদালত রায় দেয় স্যামসাং-এর পণ্যগুলো অ্যাপলের ঐ ডিজাইন পেটেন্ট ভঙ্গ করেনি। উপরন্তু অ্যাপলকে এই নির্দেশ দেয় যে, তাদের ওয়েবসাইটে এই রায় সম্পর্কে মানুষকে জানাতে হবে।
অ্যাপল স্বাভাবিকভাবেই এই রায়ের বিপরীতে অন্য আদালতে আপিল করে। কিন্তু গত ১৮ই অক্টোবর অ্যাপলের আপিল নাকচ করে আগের রায় বহাল রাখা হয়। এরপরও অ্যাপলের সামনে আবার আপিলের পথ খোলা থাকলেও অ্যাপল আর এই আইনি যুদ্ধ দীর্ঘায়িত না করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং তাদের যুক্তরাজ্যের সাইটে স্যামসাং তাদের কোনো পেটেন্ট ভঙ্গ করেনি বলে নোটিশ দেয়।
মজার বিষয় হচ্ছে, অ্যাপল এই নোটিশের পাতায় কেবল লেখা দিয়েছে। অ্যাপলের কোনো লোগো বা সাইটের অন্য কোনো কন্টেন্টই নেই। দেখলে হঠাৎ মনে হবে কেউ হ্যাক করে লেখাগুলো ঢুকিয়ে দিয়েছে। কিন্তু অ্যাপলের যুক্তরাজ্যের পাতায় নিচেই দেয়া রয়েছে এই নোটিশের লিংক।
অ্যাপল নোটিশে জানিয়েছে, আদালত স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব ১০.১, ট্যাব ৮.৯ এবং ট্যাব ৭.৭ অ্যাপলের ডিজাইন পেটেন্ট ভঙ্গ করেনি। আদালতের উদ্ধৃতি দিয়ে স্যামসাং আরো লিখেছে, অ্যাপলের পণ্যগুলো উচ্চ মানসম্পন্ন হলেও স্যামসাং-এর পণ্যগুলো অ্যাপলের মতো ততোটা ‘cool’ নয়। এছাড়াও স্যামসাং-এর পণ্যগুলো অ্যাপলের তুলনায় অনেক পাতলা আর এর পেছনের দিকটাও অ্যাপলের আইপ্যাডের পেছনের দিকের তুলনায় অনেক আলাদা।
যুক্তরাজ্যের কোর্ট অফ আপিলের এই রায় সমগ্র ইউরোপজুড়ে কার্যকর থাকবে। এর ফলে ইউরোপের দেশগুলোতে স্যামসাং ডিজাইন নকল করেছে বলে আর কোনো অভিযোগ আনতে পারবে না অ্যাপল। তবে অ্যাপল তাদের ঘোষণার শেষে এও জুড়ে দিয়েছে যে, অন্যান্য দেশের কয়েকটি আদালত স্যামসাংকে আইপ্যাডের ডিজাইন নকলের দায়ে জরিমানা করেছে।
এখানে লক্ষ্যণীয় যে, যুক্তরাষ্ট্রের আদালত ব্যতীত আর যেসব দেশে অ্যাপল স্যামসাং-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে, তার প্রায় সবক’টিতেই স্যামসাং-এর পাশাপাশি অ্যাপলকেও জরিমানা করা হয়েছে। কেবল যুক্তরাষ্ট্রের আদালতেই রায়টা একতরফা অ্যাপলের পক্ষে গেছে।
তবে যাই হোক না কেন, স্যামসাং-এর ‘প্রচারণা’ অ্যাপলের সাইটে দেখা যাওয়া সত্যিই বিরল ঘটনা। এ নিয়ে অ্যাপল এখনও কোনো মন্তব্য জানায়নি।



jotil
bodnam to hoye gese ekhon samsung shei shunam ki r pabe
jara gadget niye pore thake na tarao jane samsung apple k copy korse.amra na hoi news ta janlam, tader kaan e news ta k pouchabe.
আসলে স্যামসাং-এর কিন্তু বদনাম হয়নি। বরং, অ্যাপল ফ্যানরা ছাড়া মোটামুটি সবাই স্যামসাং-এর ডিভাইসের দারুণ ভক্ত। আমি স্বীকার করি, কিছু কিছু ডিভাইস তারা অনেক বেশি আইফোনের নকল করে ফেলেছে। আর সেটার মাশুলও গুণতে হয়েছে তাদের। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই কিন্তু এখনও স্যামসাংকেই পছন্দ করেন। গ্যালাক্সি নোট ২, গ্যালাক্সি এস ৩, গ্যালাক্সি ট্যাব ১০.১ ইত্যাদি ডিভাইসগুলোর জনপ্রিয়তা মোটেও কমেনি।
কাজেই, আপনি যেই সাধারণ মানুষের কথা বলছেন যারা গ্যাজেট নিয়ে পড়ে থাকে না, তারা কেয়ারও করে না কে কারটা নকল করলো। তাদের দরকার চোখ ধাঁধাঁনো পণ্য, আর স্যামসাং তাদের সেটা দিয়েই চলেছে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
Samsaung er bodnam hoinai …. Actually World er onk mansh arou Samsung er device gulo ke chinse (Specially iPhone users) and dekhe S3 , Tab 2 er feature gula !
সেইটাই।
অ্যাপেল স্যামসাং এর বিপক্ষে কেস করে স্যামসাং এর পাবলিসিটি করে দিল । এস ৩ এখন আইফোন থেকে বেশি জনকপ্রিয় ।
ঠিক।
No matter Samsung or Google or Sony, I want to see Android as a winner!
এর চাইতে Sony XPERIA-ই অনেক ভাল। অন্তত তারা কারোর কাছ থেকে নকল করে নাই।
হ্যাঁ, সনির ডিজাইনগুলো ইউনিক।